স্বাস্থ্যমন্ত্রী এদিন আশ্বাস দেন, বিভিন্ন সংস্থা দ্রুত ভ্যাকসিন তৈরির কাজ শুরু করেছে। আশা করা যায়, খুব শীঘ্রই দেশের প্রতিটি মানুষ ভ্যাকসিন পাবেন। উল্লেখ্য, ২ জানুয়ারি দেশের সব কটি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে টিকার মহড়া শুরু হয়েছিল। শুক্রবার থেকে আরও তিন ধাপে দ্বিতীয় পর্বের মহড়া চলবে। দ্বিতীয় পর্বে পশ্চিমবঙ্গের ৬৯ টি এলাকাকে চিহ্নিত করা হয়েছে। ওই সমস্ত এলাকায় চলবে টিকার মহড়া।
কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দ্বিতীয় পর্বে দেশের ৭৩৬ টি জেলায় টিকার ড্রাই রান চলবে। হরিয়ানা, অরুণাচলপ্রদেশ ও উত্তরপ্রদেশে ইতিমধ্যেই দুই পর্বের মহড়া হয়ে গিয়েছে। কাজেই সেখানে আর ড্রাই রান হবে না। তবে দিল্লির বেশিরভাগ জেলাতেই চলবে মহড়া। মহারাষ্ট্রের ৩০ টি জেলা ও ২৫ টি মিউনিসিপাল এলাকায় মহড়া চলবে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী এদিন জানিয়েছেন, প্রথম দফায় মূলত করোনা যোদ্ধাদের টিকা দেওয়া হবে। পরবর্তী ক্ষেত্রে বয়স্করা টিকা পাবেন। ধীরে ধীরে দেশের প্রতিটি মানুষকেই টিকা দেওয়া হবে।
এজন্য বিভিন্ন সংস্থাকে উৎপাদন বাড়ানোর অনুরোধ করা হয়েছে। আশা করা যায়, সংস্থাগুলি দ্রুত উৎপাদন করবে এবং তা সরকারের কাছে পৌঁছে দেবে। তবে মাথায় রাখতে হবে, শুধু দেশের মানুষকে টিকা দিলেই হবে না। আমাদের প্রতিবেশী দেশগুলিকেও এই টিকা সরবরাহ করতে হবে। এটা আমাদের নৈতিক দায়িত্বের মধ্যেই পড়ে। তবে দেশের মানুষকে বঞ্চিত করে কখনওই টিকা রফতানি করা হবে না।কয়েকদিনের মধ্যেই দেশবাসী করোনার টিকা পাবেন। শুক্রবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষবর্ধন এই কথা জানালেন। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী এদিন বলেন, একেবারে তৃণমূল স্তর পর্যন্ত যাতে ভ্যাকসিন দেওয়া যায় সেজন্য সব ধরনের ব্যবস্থা করছে সরকার। প্রথমেই স্বাস্থ্যকর্মী ও করোনার বিরুদ্ধে যারা সামনে থেকে লড়াই করছেন তাদের টিকা দেওয়া হবে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী এদিন আশ্বাস দেন, বিভিন্ন সংস্থা দ্রুত ভ্যাকসিন তৈরির কাজ শুরু করেছে। আশা করা যায়, খুব শীঘ্রই দেশের প্রতিটি মানুষ ভ্যাকসিন পাবেন। উল্লেখ্য, ২ জানুয়ারি দেশের সব কটি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে টিকার মহড়া শুরু হয়েছিল। শুক্রবার থেকে আরও তিন ধাপে দ্বিতীয় পর্বের মহড়া চলবে। দ্বিতীয় পর্বে পশ্চিমবঙ্গের ৬৯ টি এলাকাকে চিহ্নিত করা হয়েছে। ওই সমস্ত এলাকায় চলবে টিকার মহড়া।
কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দ্বিতীয় পর্বে দেশের ৭৩৬ টি জেলায় টিকার ড্রাই রান চলবে। হরিয়ানা, অরুণাচলপ্রদেশ ও উত্তরপ্রদেশে ইতিমধ্যেই দুই পর্বের মহড়া হয়ে গিয়েছে। কাজেই সেখানে আর ড্রাই রান হবে না। তবে দিল্লির বেশিরভাগ জেলাতেই চলবে মহড়া। মহারাষ্ট্রের ৩০ টি জেলা ও ২৫ টি মিউনিসিপাল এলাকায় মহড়া চলবে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী এদিন জানিয়েছেন, প্রথম দফায় মূলত করোনা যোদ্ধাদের টিকা দেওয়া হবে। পরবর্তী ক্ষেত্রে বয়স্করা টিকা পাবেন। ধীরে ধীরে দেশের প্রতিটি মানুষকেই টিকা দেওয়া হবে।
এজন্য বিভিন্ন সংস্থাকে উৎপাদন বাড়ানোর অনুরোধ করা হয়েছে। আশা করা যায়, সংস্থাগুলি দ্রুত উৎপাদন করবে এবং তা সরকারের কাছে পৌঁছে দেবে। তবে মাথায় রাখতে হবে, শুধু দেশের মানুষকে টিকা দিলেই হবে না। আমাদের প্রতিবেশী দেশগুলিকেও এই টিকা সরবরাহ করতে হবে। এটা আমাদের নৈতিক দায়িত্বের মধ্যেই পড়ে। তবে দেশের মানুষকে বঞ্চিত করে কখনওই টিকা রফতানি করা হবে না।