প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট জানান, এই দুই সংস্থা দেশের মানুষের মনে আত্মবিশ্বাস তৈরি করেছে। তারা এটা বুঝিয়ে দিয়েছে যে, ভারত আর কোনও অংশেই পিছিয়ে নেই। বরং তারা বিশ্বের যে কোনও উন্নত দেশের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে প্রস্তুত। সেরাম ও ভারত বায়োটেক এটা স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, দেশ আজ আত্মনির্ভর হয়ে উঠেছে। তারা নিজেদের প্রয়োজনীয় যে কোনও জিনিস নিজেরাই তৈরি করতে পারে। এই দুই সংস্থার ভ্যাকসিনের জন্য গোটা দেশের মাথা উঁচু হয়েছে বিশ্বমাঝে। প্রত্যেক ভারতবাসী এই দুই সংস্থার জন্য গর্ববোধ করতে পারেন।
উল্লেখ্য, ভারতে জরুরি ভিত্তিতে টিকাকরণের অনুমতি পেয়েছে সেরাম ইনস্টিটিউট এবং ভারত বায়োটেকের তৈরি ভ্যাকসিন। আশা করা হচ্ছে, কয়েক দিনের মধ্যেই দেশে টিকাকরণ শুরু হয়ে যাবে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষবর্ধন এদিন তেমনটাই ইঙ্গিত দিয়েছেন। দুই দেশীয় সংস্থার ভূয়সি প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, করোনার সংক্রমণ ছড়িয়েছে গোটা বিশ্বে। সকল দেশই করোনার ভ্যাকসিন আবিষ্কারে চেষ্টা চালাচ্ছে। বেশ কিছু দেশ সফল হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে ভারত।
করোনাজনিত মহামারীতে সরকার আত্মনির্ভর ভারত গড়ে তোলার ডাক দিয়েছিল। করোনা পরিস্থিতি প্রতিটি মানুষ ও দেশকে বাঁচার আলাদা অর্থ ও রাস্তা তৈরি করে দিয়েছে। সেই পথে হেঁটেই সাফল্য পেয়েছে দেশের দুই সংস্থা। একজন ভারতবাসী হিসেবে আমরা প্রত্যেকেই আজ গর্ববোধ করতে পারি।
একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী এদিন আশ্বাস দেন দেশের প্রতিটি মানুষ ভ্যাকসিন পাবেন। প্রথমে করোনা যোদ্ধাদের এই ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। তারপর পাবেন বয়স্করা। শেষে সকলকেই ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। তাঁর সরকার মানুষের জীবন সুরক্ষিত রাখতে প্রতিশ্রুতিব্ধ।