অনলাইন ডেস্ক, ৭ জানুয়ারি।। বছরের শুরুতেই জরুরি ভিত্তিতে সেরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়া এবং ভারত বায়োটেককে করোনা টিকা ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছেন ড্রাগস কন্ট্রোলার জেনারেল অফ ইন্ডিয়া (ডিজিসিআই)। এরপরেই দেশজুড়ে সমালোচনার ঝড় ওঠে।
কারণ, মানবদেহে তৃতীয় দফায় পরীক্ষামূলক প্রয়োগের আগেই ভারত বায়োটেকের তৈরি করোনা টিকা ‘কোভ্যাক্সিন’-কে অনুমোদনের দেয় ডিজিসিআই। এই অবস্থায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনার জন্য ১২ জানুয়ারি বৈঠকে বসবে স্বাস্থ্য মন্ত্রকের সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। ৩ জানুয়ারি ভারত বায়োটেকের ওই কোভিড টিকাকে জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োগের ছাড়পত্র দেওয়ার পর থেকে তা নিয়ে সরব বিরোধীরা।
এপ্রসঙ্গে কংগ্রেস সাংসদ শশী তারুর ট্যুইট করে বলেন, ‘কোভ্যাকসিনের এখনও তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল হয়নি। কিন্তু তার আগেই তড়িঘড়ি সেই ভ্যাকসিনের জরুরি প্রয়োগে ছাড়পত্র দেওয়া হল। যা বিপজ্জনক।’ ট্যুইটে ট্যাগ করে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কাছে এর ব্যাখ্যা চেয়েছেন।’
সরব গবেষকদের একাংশও। প্রশ্ন উঠেছে, প্রথম ও দ্বিতীয় দফার পরীক্ষার কার্যকারিতার তথ্য কেন সামনে আনছে না কেন্দ্র? এদিকে মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যসচিব রাজেশ ভূষণ জানিয়েছিলেন, জরুরি অনুমোদনের ১০ দিনের মধ্যে দেশে টিকাকরণ শুরু করতে প্রস্তুত আছে কেন্দ্র।
তবে গতকাল বুধবারও নির্দিষ্ট কোনও দিনক্ষণ ঘোষণা করা হয়নি। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘অদূর ভবিষ্যতে টিকাকরণের প্রক্রিয়া শুরু করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।’