অনলাইন ডেস্ক, ৬ জানুয়ারি।। রিনা গেহলোধ মধ্যপ্রদেশের হারদা জেলার বাসিন্দা। ওই মহিলা কর্মসূত্রে থাকতেন সৌদি আরবে। করোনাজনিত কারণে প্রায় এক বছর তিনি সে দেশেই আটকে আছেন। সম্প্রতি ওই মহিলা বাড়ি ফেরার উদ্যোগ নিয়েছিলেন। ভেবেছিলেন দীর্ঘ এক বছর পর বাড়িতে গিয়ে স্বামী ও মেয়েকে দেখতে পাবেন। কিন্তু মহিলার সেই আশা পূরণ হল না।
কারণ বিমানবন্দরে এসে তাঁকে যখন করোনা পরীক্ষার জন্য টাকা দেওয়ার কথা বলা হয় তখন সেই অর্থ তাঁর কাছে ছিল না। সে কারণেই সৌদি আরব থেকে ভারতগামী বিমানে তাঁকে উঠতে দেওয়া হয়নি। একটি অডিও ক্লিপের মাধ্যমে মধ্যপ্রদেশের বুন্দি জেলা কংগ্রেসের সহ-সভাপতি চার্মেশ শর্মাকে ওই মহিলা তাঁর অভিযোগ জানিয়েছেন। রিনা জানিয়েছেন, ১১ মাস ধরে তিনি সৌদি আরবের একটি সংস্থায় চাকরি করছিলেন। নভেম্বর মাসে রিনা ওই কংগ্রেস নেতাকে জানিয়েছিলেন, তিনি বাড়ি ফিরতে চান।
কিন্তু যে সংস্থায় তিনি কাজ করতেন তারা তাঁকে আটকে রেখেছে। তাঁর সঙ্গে চরম দুর্ব্যবহার করা হচ্ছে। চার্মেশ মহিলার অভিযোগটি বিদেশমন্ত্রককে জানান। সৌদি প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলে এরপর রিনাকে দেশে ফেরানোর ব্যবস্থা করা হয়। বিদেশমন্ত্রকের চেষ্টায় মঙ্গলবার সৌদি আরব থেকে রিনার বিমানে ওঠার কথা ছিল। ঠিক সময়ে বিমানবন্দরেও হাজির হয়ে গিয়েছিলেন রিনা। কিন্তু বিমানে ওঠার আগে বাধ্যতামূলক করোনা পরীক্ষার জন্য তাঁর কাছে ৮৫০ রিয়াল ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ১৭ হাজার টাকা চাওয়া হয়।
কিন্তু রিনা সেই টাকা দিতে না পারায় তাঁকে বিমানে উঠতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। রিনা জানিয়েছেন, তাঁকে আরও একমাস সৌদির ওই সংস্থায় কাজ করে প্রয়োজনীয় অর্থ জোগাড় করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তবে রিনা চান, যত শীঘ্র সম্ভব বাড়ি ফিরতে। রিনার অভিযোগ পাওয়ার পর চার্মেশ নতুন করে বিদেশমন্ত্রকের কাছে ওই মহিলাকে দ্রুত বাড়ি ফেরানোর আর্জি জানিয়েছেন।