অনলাইন ডেস্ক, ৬ জানুয়ারি।। ট্রাফিক আইন ভঙ্গ করার কারণে রতন টাটাকে তিনবার জরিমানার জন্য ই-চালান পাঠাল মুম্বই ট্র্যাফিক পুলিশ। যা দেখে অবাক হয়ে যান এই প্রবীণ শিল্পপতি। বিষয়টি বুঝতে না পেরে তিনি মুম্বই পুলিশের কাছে বিস্তারিত ব্যাখ্যা চান। তখনই জানা যায়, রতন টাটার গাড়ির নম্বর ব্যবহার করছেন এক ব্যবসায়ী মহিলা। ইতিমধ্যে ওই মহিলার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
মুম্বই ট্রাফিক পুলিশের এক শীর্ষকর্তা জানিয়েছেন, রতন টাটা ট্রাফিক আইন ভঙ্গের জন্য দু’টি ই-চালান পাওয়ার পরই বিষয়টি মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরের কার্যালয়কে জানান। একই সঙ্গে জানান, তিনি কখনওই এভাবে গাড়ি নিয়ে পথে বেরিয়ে ট্রাফিক আইন ভঙ্গ করেননি। এরপরই মুখ্যমন্ত্রীর দফতর থেকে বিষয়টি সম্পর্কে পুলিশকে অবহিত করা হয়। শুরু হয় তদন্ত। এই তদন্তে উঠে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য।
জানা যায়, কাস্টমস হাউস এজেন্ট নরেন্দ্র ফরোয়ার্ডার প্রাইভেট লিমিটেডের পরিচালক গীতাঞ্জলি সমীর শাহ নামে এক মহিলা তাঁর গাড়িতে নকল নম্বর প্লেট লাগিয়েছেন। মুম্বই পুলিশের যুগ্ম-কমিশনার জে যাদব বলেছেন, অভিযুক্ত মহিলা যে নম্বর প্লেট ব্যবহার করেছিলেন সেটি রতন টাটার। ওই মহিলা ট্রাফিক আইন ভঙ্গ করার জন্যই তাঁর বিরুদ্ধে জরিমানার ই-চালান পাঠান হয়েছিল। ওই চালানগুলি শেষ পর্যন্ত রতন টাটার কাছে গিয়ে পৌঁছয়।
এরপরই অভিযুক্ত মহিলাকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় মাতুঙ্গা থানায়। ওই মহিলা স্বীকার করে নেন, তিনি রতন টাটার গাড়ির নম্বর নকল করে ব্যবহার করেছিলেন। ওই নম্বরটি তাঁর কাছে ‘লাকি’ ছিল। সে কারণেই তিনি নিয়মিত ওই নম্বরটি ব্যবহার করতেন। পুলিশ ওই মহিলার বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছে। যে দুই ট্রাফিক পুলিশ ওই মহিলার গাড়ি আটক করেন এবং জরিমানার জন্য চালান পাঠান তাঁদের ৫০০০ হাজার টাকা করে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।