ইমারজেন্সি কনট্রাসেপটিভ পিলস আসলেই নিরাপদ?

অনলাইন ডেস্ক, ৫ জানুয়ারি।। অসাবধানতা বা অপরিকল্পিত পরিস্থিতিতে গর্ভধারণের ঝুঁকি এড়াতে বার্থ কন্ট্রোল পিল বা জন্মনিয়ন্ত্রক অষুধের সাহায্য নেন অধিকাংশ মহিলা। গর্ভনিরোধক ওষুধ খেলে কি পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার ভয় আছে বা গর্ভনিরোধক ওষুধের কী কী প্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি থাকে এ বিষয়ে আমাদের অনেকেরই তেমন ধারণা নেই! জানেন ইমারজেন্সি কনট্রাসেপটিভ পিলস আপনার জন্য কতোটা নিরাপদ?

বিশেষজ্ঞদের মতে, ইমারজেন্সি কনট্রাসেপটিভ পিলস ব্যবহার করার কিছু নিয়ম রয়েছে। আসুন জেনে নেওয়া যাক ইমারজেন্সি কনট্রাসেপটিভ পিলস ব্যবহারের কিছু নিয়ম…

১. বার্থ কন্ট্রোল পিল বা গর্ভনিরোধক ওষুধকে অনেকে ‘মর্নিং আফটার পিল’ও বলে থাকেন। তবে এই ওষুধ সহবাসের পরদিন সকালেই খেতে হবে এমন কোনো কথা নেই। রাতে সহবাসের পরও খেতে পারেন। যত তাড়াতাড়ি খাবেন তত ভালো কাজ করবে বার্থ কন্ট্রোল পিল বা গর্ভনিরোধক ওষুধ।

২. বার্থ কন্ট্রোল পিল বা গর্ভনিরোধক ওষুধ গর্ভপাত করায় না, শুধু ডিম্বস্ফোটন বা ওভিউলেশনের সময় পিছিয়ে দিয়ে গর্ভধারণের ঝুঁকি এড়াতে সাহায্য করে। তাই গর্ভধারণের পর এই জাতীয় অষুধ খেলে কোনো কাজ হবে না।

৩. বার্থ কন্ট্রোল পিল বা গর্ভনিরোধক ওষুধ খেলে ওজন বাড়ে যাবে ভেবে অনেকেই ভয় পান। যদিও এর সঙ্গে ওজন বাড়ার কোনো সম্পর্ক নেই।

৪. কোনো বার্থ কন্ট্রোল পিল বা গর্ভনিরোধক ওষুধই গর্ভধারণ রোধ করার ১০০ শতাংশ গ্যারান্টি বা প্রতিশ্রুতি দেয় না। তাই কিছু ক্ষেত্রে ওষুধ খাওয়ার পরও প্রেগন্যান্ট হওয়ার ঝুঁকি থাকে।

৫. বার্থ কন্ট্রোল পিল বা গর্ভনিরোধক ওষুধ খাওয়ার ফলে আপনার পিরিয়ড সাইকেল অনিয়মিত হয়ে যেতে পারে। এর সঙ্গেই গর্ভনিরোধক ওষুধ খাওয়ার ফলে মাথা ঘোরা, বমির মতো সমস্যা হতে পারে।

৬. অপরিকল্পিত গর্ভধারণ রুখতে বার্থ কন্ট্রোল পিল বা গর্ভনিরোধক ওষুধই শেষ কথা নয়। এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে কার্যকর হল কপার আইইউডি। এটি ১০ বছর পর্যন্ত প্রেগন্যান্সি রুখতে সক্ষম।

সব শেষে একটা জরুরি কথা! অপরিকল্পিতভাবে সহবাসের পর প্রথমেই গর্ভনিরোধক ওষুধ না খেয়ে চিকিত্সকের পরামর্শ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।

You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

চ্যাট খুলুন
1
আমাদের হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠান
হেলো, 👋
natun.in আপনাকে কিভাবে সহায়তা করতে পারে?