অনলাইন ডেস্ক, ৫ জানুয়ারি।। করোনাজনিত কারণে দীর্ঘ সাত মাস বন্ধ ছিল ট্রেন চলাচল। এর পর ট্রেন চলাচল শুরু হলেও এখনও অনেক ট্রেন বাতিল রয়েছে। করোনা পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসায় বাতিল ট্রেনগুলি ফের চালু করতে চলেছে রেলমন্ত্রক। সেই সঙ্গে জানানো হয়েছে, দূরপাল্লার ট্রেনে চড়তে গেলে আসন সংরক্ষণ আবশ্যিক হচ্ছে। ফলে বাড়ছে রেলের ভাড়া। খুব সম্ভবত ৬ জানুয়ারি থেকেই একাধিক ট্রেনের ভাড়া বাড়তে চলেছে।
আপাতত এই ভাড়া বাড়ছে মূলত দূরপাল্লার ট্রেনগুলিতে। এখন থেকে ট্রেনে চড়তে গেলে সংরক্ষণ আবশ্যিক করা হচ্ছে। বাড়তি ভিড় সামাল দিতেই এই পদক্ষেপ করতে চলেছে রেল। যাত্রীরা সরাসরি কাউন্টারে গিয়ে বা অনলাইনেও টিকিট রিজার্ভেশন বা সংরক্ষণ করতে পারবেন। ট্রেন ছাড়ার নির্ধারিত সময়ের ৩০ মিনিট আগে পর্যন্ত রিজার্ভেশন করতে পারবেন যাত্রীরা। রেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দূরত্ব কম বা বেশি যাই হোক না কেন, যাত্রীদের আসন সংরক্ষণ করতে হবে।
প্রতিটি টিকিটের দামের সঙ্গে ১৫ টাকার রিজার্ভেশন ফি যুক্ত হবে। অর্থাৎ রেলের ভাড়া বাড়বে। রেলের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, ১ ফেব্রুয়ারি থেকে পটনা, বারাণসী, আজমের এবং নয়াদিল্লির মধ্যে ট্রেনের সংখ্যা বাড়ান হবে। জম্মু-কাশ্মীর ও উধমপুরের মধ্যেও রেল পরিষেবা চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নরেন্দ্র মোদি সরকার। পাশাপাশি এই প্রথম গঙ্গাসাগর মেলা উপলক্ষে ও বাড়তি লোকাল ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে পূর্ব রেল।
করানোরজনিত পরিস্থিতিতে যাতে ভিড় এড়ানো যায় সে কারণেই বাড়তি ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে সংরক্ষণ আবশ্যিক করায় অনেক যাত্রী দুশ্চিন্তায় পড়েছেন। বিশেষ করে যারা স্বল্প দূরত্বের সফর করবেন। তাঁরা মনে করছেন, রেল এভাবেই ঘুরিয়ে বেশ কিছুটা ভাড়া বাড়িয়ে নিল। যে সমস্ত স্বল্প দূরত্বে টিকিট সংরক্ষণ জরুরি নয় সেই সমস্ত ক্ষেত্রে সংরক্ষণ আবশ্যিক করে দিয়ে রেল যাত্রীদের কাছ থেকে বাড়তি ভাড়া আদায় করতে চলেছে।