অনলাইন ডেস্ক, ৩ জানুয়ারি।। বিশেষজ্ঞ কমিটির ছাড়পত্র মিলেছিল আগেই। রবিবার জরুরি ভিত্তিতে করোনার টিকাকরণের জন্য সেরাম ইনস্টিটিউটের ‘কোভিশিল্ড’ ও ভারত বায়োটেকের ‘কোভ্যাক্সিন’কে ছাড়পত্র দিয়েছে ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল অফ ইন্ডিয়া বা (ডিসিজিআই)। ব্রিটেনের অক্সফোর্ড বার্তা ও অ্যাস্ট্র্যাজেনেকার করোনা টিকার ফর্মুলায় ‘কোভিশিল্ড’ তৈরি করেছে সেরাম ইনস্টিটিউট। অন্যদিকে, আইসিএমআর, পুণের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ভাইরোলজি ও ভারত বায়োটেক যৌথভাবে তৈরি করেছে ‘কোভ্যাক্সিন’।
সম্পূর্ণ ভারতীয় উপায়ে তৈরি হয়েছে ‘কোভ্যাক্সিন’। ফলে অক্সফোর্ডের টিকার থেকেও এই ভারতীয় টিকা নিয়ে স্বাভাবিক ভাবেই আলাদা আবেগ কাজ করছে দেশবাসীর মধ্যে। কী কী উপাদানে ও ফর্মুলায় তৈরি হয়েছে ভারত বায়োটেকের ‘কোভ্যাক্সিন’ তা নিয়ে ইতিমধ্যেই আগ্রহ জন্মেছে আম জনতার মধ্যে। সব উপাদান জানা না গেলেও, ইতিমধ্যেই সামনে এসেছে এই টিকার বেশকিছু উপাদানের কথা।
জানা গিয়েছে, এই করোনা টিকা তৈরিতে বিশেষ ভাবে কাজে লেগেছে সদ্য জন্মানো বাছুরের রক্তের সেরাম ও আফ্রিকার বাঁদরের কোষ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গরুর ভ্রুণ বা বাছুরের সেরাম যেকোনও ভ্যাকসিনেরই অন্যতম উপাদান। কোভ্যাক্সিন তৈরিতেও এই উপাদান কাজে লেগেছে। এছাড়াও আফ্রিকার বিশেষ গ্রিন মাঙ্কি’র কিডনির কোষ নিয়ে তা কালচার করা হয়েছে পরীক্ষাগারে। এরপর তা মিশিয়ে দেওয়া হয়েছে সার্স-কভ-২ ভাইরাস স্ট্রেনের সঙ্গে। যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে বিশেষভাবে কার্যকরী হয়েছে। এছাড়াও আরও বহু উপাদান লেগেছে এই টিকা তৈরিতে। যার পুরোটা এখনও সামনে আসেনি। তবে ভারত বায়োটেকের দাবি এই টিকার ফলে শরীরে যে অ্যান্টিবডি তৈরি হবে তা দীর্ঘ মেয়াদে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সক্ষম।