অনলাইন ডেস্ক, ৩০ ডিসেম্বর।। লকডাউনে পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য একেবারে দেবদূত হয়ে উঠেছিলেন বলিউড অভিনেতা সোনু সুদ। ঘরে ফিরতে না পারা বহু পরিযায়ী শ্রমিকদের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়েছিলেন তিনি। এবারে ফের একবার শিরোনামে উঠে এলেন সোনু। গরীবের পাশে দাঁড়ানো থেকে শুরু করে অসহায়দের মুখে হাসি ফোটানো – সোনু যেন সব সময়ই প্রস্তুত রয়েছেন সাহায্যের জন্য। কনকনে ঠান্ডায় কাঁপছে গোটা উত্তর-পূর্ব ভারত। যার জেরে উত্তরপ্রদেশের মির্জাপুর এবং সোনভদ্রের প্রায় ২০টি গ্রামের মানুষের অবস্থা সোচনীয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রচন্ড শীতে সবচেয়ে বেশি কাবু হন বয়স্ক মানুষরা। এবার সেইসব মানুষদের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলেন সোনু সুদ।
সম্প্রতি সোনু সুদকে ট্যাগ করে বিকাশ দীক্ষিত নামে এক ব্যক্তি ট্যুইট করে জানান, উত্তরপ্রদেশে মির্জাপুর এবং সোনভদ্র নামে দুটি এলাকা রয়েছে। ওইসব এলাকার প্রায় ২০টি গ্রামের মানুষ ঠান্ডায় কষ্ট পাচ্ছেন। প্রত্যেক বছর শীতের সময় ওই এলাকার বয়স্কদের অবস্থা করুণ হয়ে দাঁড়ায়। প্রতি বছর ঠাণ্ডা থেকে বাঁচার জন্য ওই গ্রামগুলির বয়স্ক মানুষরা আশা করে থাকেন হয়তো কেউ তাঁদের সেই কনকনে ঠান্ডা থেকে বাঁচতে পরিত্রাণ দেবে কিন্তু কোনওবারই তা হয় না। এবার সোনু তাঁদের শেষ আশা বলে ট্যুইট করেন বিকাশ। উত্তরপ্রদেশের ওই ব্যক্তির ট্যুইট চোখে পড়ার পরই তাঁর সঙ্গে কথা বলেন বলিউড অভিনেতা সোনু সুদ।
সোনু বলেন, এবার থেকে মির্জাপুর, সোনভদ্র সহ ওই ২০টি গ্রামের কোনও বয়স্ক মানুষকে আর ঠান্ডায় কাঁপতে হবে না। ওই ২টি গ্রামের বয়স্করাই শুধু নন, ওই দুই এলাকার কোনও মানুষকেই আর এবার থেকে শীতে কষ্ট পেতে হবে না বলে জানান সোনু সুদ। প্রসঙ্গত, লকডাউন পর্বে পরিযায়ী শ্রমিকদের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়ায় সোনুকে মসিহা-র তকমা দেওয়া হয়। সে সম্পর্কে এবার মুখ খোলেন সোনু। তিনি বলেন, তিনি কোনও মসিহা নন। তিনি শুধু অসহায় মানুষদের সাহায্য করতে এগিয়ে এসেছেন বলে মন্তব্য করেন। পাশাপাশি তিনি যে কোনওভাবেই নিজের স্বার্থের জন্য অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়াচ্ছেন না তাও স্পষ্ট করে জানিয়ে দেন।