স্টাফ রিপোর্টার, আগরতলা, ২৮ ডিস
তপশিলি জাতি সমন্বয় সমিতি পশ্চিম জেলা কমিটির পক্ষ থেকে মঙ্গলবার পশ্চিম জেলার জেলাশাসক ওফিসের ১৪ দফা দাবিতে ডেপুটেশন ও স্মারকলিপি প্রদান করা হয়৷ত্রিপুরা তপশিলি জাতি সমন্বয় সমিতির নেতা তথা বিধায়ক সুজন দাসের নেতৃত্বে ডেপুটেশন ও স্মারকলিপি প্রদান করা হয়৷
ডেপুটেশন ও স্মারকলিপি প্রদানের আগে রাজধানী আগরতলা শহরে তপশিলিই এক মিছিল সংঘটিত করা হয়৷ মিছিলটি শহরের বিভিন্ন পথ অতিক্রম করে জেলাশাসক অফিসের সামনে এসে সমবেত হয়৷সেখান থেকে সংগঠনের এক প্রতিনিধি দল জেলাশাসক অফিসে গিয়ে জেলাশাসকের উদ্দেশ ১৪ দফা দাবি সনদ তুলে দেন৷ডেপুটেশন ও স্মারকলিপিতে উল্লেখিত দাবি গুলি পর্যালোচনা করে ব
ক্তব্য রাখতে গিয়ে বিধায়ক সুজন দাস বলেন গ্রামীণ ও শহরের এলাকায় বহু মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়েছেন৷এইসব কর্মহীন লোকজনদের কাজের ব্যবস্থা করতে তিনি জেলা শাসকের কাছে জোরালো দাবিদাবি।
জানিয়েছেন৷বর্তমান সরকারের কাজ-কর্মের তীব্র সমালোচনা করতে গিয়ে বিধায়ক শোধন দাস বলেন বাম আমলে রাজ্যে বছরে ৯৫ দিন এমজিএন রেগায় কাজ হতো৷বর্তমান সরকারের আমলে কাজ কমে এসে দাঁড়িয়েছে বছরে ৪০থেকে ৪৫ দিন৷ শহর এবং গ্রাম সব জায়গাতেই কাজের পরিমাণ
কমে গেছে বলেও তিনি করেন৷কর্মহীন মানুষের সংখ্যা দিন দিন বাড়তে থাকায় মানুষের অর্থনৈতিক অবস্থা আরও দুর্বল হয়ে পড়তে শুরু করেছে৷ তাতে অনাহারী মানুষের সংখ্যা বাড়ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন৷প্রতিটি মানুষের কাজ ও খাদ্যের নিশ্চয়তা দিতে তিনি রাজ্য সরকার এবং কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে জোরালো দাবি জানিয়েছেন৷এসব বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ
করা না হলে তারা আরও বৃহত্তর আন্দোলনে সামিল হবেন বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন৷ শুধু পশ্চিম জেলাতেই নয় রাজ্যের প্রতিটি জেলাতেই ত্রিপুরা তপশিলি জাতি সমন্বয় সমিতি জেলা শাসকের কাছে এসব দাবির ভিত্তিতে ডেপুটেশন ও স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচী অব্যাহত রেখেছেন বলে জানান সংগঠনের নেতা তথা বিধায়ক সুধন দাস৷