অনলাইন ডেস্ক, ২৮ ডিসেম্বর।। অরুণাচল প্রদেশে ৬ জেডিইউ বিধায়ক দু’দিন আগে যোগ দিয়েছেন বিজেপিতে। এই ঘটনার জেরে বিহারে বিজেপি-জেডিইউ জোট সরকারের ভবিষ্যৎ কিছুটা অনিশ্চয়তার মুখে পড়ল। সোমবার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার বলেন, মুখ্যমন্ত্রী পদে তাঁর কোনও লোভ নেই। এবার মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার কোন ইচ্ছাই তাঁর ছিল না। চাপের মুখে তিনি মুখ্যমন্ত্রীর পদে বসেছেন। মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে কে বসল তাতে তাঁর কিছু এসে যায় না। নীতীশের এই মন্তব্য ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক পারদ চড়ছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বিহারে জেডিইউ-বিজেপি জোট ভাঙনের মুখে এসে দাঁড়িয়েছে। ২৪ ঘন্টা আগে দলের সর্বভারতীয় সভাপতির পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন নীতীশ। দলের নতুন সর্বভারতীয় সভাপতি হয়েছেন রাজ্যসভার সদস্য রামচন্দ্র প্রসাদ সিং। তিনি নীতীশ কুমারের অতি ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত। এই সাংসদ নীতিশের নালন্দা জেলার বাসিন্দা। উল্লেখ্য, বিহারে এবার জেডিইউ এবং বিজেপি জোট সরকার গড়েছে ঠিকই তবে জেডিইউয়ের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ আসন পেয়েছে গেরুয়া দল। ঘটনার জেরে সম্প্রতি দলে বেশ কিছু পরিবর্তন করেছেন নীতীশ। দু’দিন আগে অরুণাচলপ্রদেশে ছয় জেডিইউ বিধায়কের বিজেপিতে যোগদানের বিষয়টি নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে দলের দলের মধ্যে।
এরপরই দলের এক বৈঠকে নীতীশ, বলেন লোকে বলছে বিজেপি নাকি বিহারের মুখ্যমন্ত্রীর পদ চাইছে। ওরা মুখ্যমন্ত্রীর পদ নিতেই পারে তাতে আমার কিছু যায় আসে না। পদে আমার কোনও লোভ বা প্রয়োজন নেই।ভোটের ফলাফল প্রকাশের পর আমি আমার সিদ্ধান্ত জানিয়ে ছিলাম। কিন্তু আমাকে জোটের চাপেই মুখ্যমন্ত্রী হতে হয়েছে। বিজেপি জেডিইউ-এর এই সম্পর্কের অবনতিতে আরজেডিও আসরের নেমে পড়েছে। আরজেডির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, জেডিইউ বিজেপির হাত ছাড়লে তারা সরকার গড়তে নীতীশের দলকে সমর্থন করবে। এখন দেখার শেষ পর্যন্ত কোথাকার জল কোথায় গড়ায়।