অনলাইন ডেস্ক, ২৬ ডিসেম্বর।। ভারতীয় নৌবাহিনীর হাতে এই মুহূর্তে রয়েছে যুদ্ধবিমান মিগ-২৯। কিন্তু এই মুহূর্তে মিগ-২৯ বেশ পুরনো হয়ে গিয়েছে। পরিবর্তে এসে গিয়েছে মিগের চেয়ে অনেক বেশী অত্যাধুনিক ও শক্তিশালী মার্কিন বিমান সুপার হর্নেট। তাই ভারতীয় নৌ-বাহিনী দীর্ঘদিন ধরেই এক অত্যাধুনিক বিমানের দাবি জানিয়ে আসছিল। সেই দাবি মেনে খুব শীঘ্রই ভারতের হাতে আসতে চলেছে আমেরিকার তৈরি মার্কিন সুপার হর্নেট বিমান। এই মুহূর্তে দেশের নৌবাহিনীর হাতে ৪২ টি মিগ-২৯ রয়েছে। সম্প্রতি মিগ-২৯ নিয়ে একাধিক সমস্যা দেখা দিয়েছে। চলন্ত অবস্থায় বিমানের ইঞ্জিন বিকল হওয়ায় কিছুদিন আগেই ক্যাপ্টেন নিশান্ত সিং দুর্ঘটনার কবলে পড়েন প্রাণ হারান। সম্প্রতি চিন যেভাবে সীমান্তে আগ্রসন চালাচ্ছে তার জন্য প্রয়োজন আকাশপথে সতর্ক প্রহরা। সে ক্ষেত্রে মিগ-২৯ বেশ কিছুটা পুরনো হয়ে গিয়েছে। বেশ কিছুদিন ধরেই মার্কিন সুপার হর্নেট নিয়ে আলোচনা চলছিল। কিন্তু এই বিমানের জন্য সমস্যা রয়েছে। এই মুহূর্তে ভারতের রয়েছে দু’টি এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ার আইএনএস বিক্রান্ত ও আইএনএস বিক্রমাদিত্য।
কিন্তু এই দু’টি এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ারে সুপার হর্নেট টেক অফ করতে পারবে না। ঘটনাটি জানার পর মার্কিন বিমান প্রস্তুতকারী সংস্থা ভারতীয় নৌবাহিনীকে জানায়, খুব তাড়াতাড়ি ভারতের এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ের উপযোগী করে তোলা হবে হর্নেটকে। সেই মতই সুপার হর্নেট বিমানে তারা পরিবর্তন করেছে। এই মুহূর্তে মার্কিন সুপার হর্নেট ভারতের দুই এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ারে টেকঅফ করার ক্ষমতা রাখে। এরপরই মার্কিন সুপার হর্নেট কেনার ব্যাপারে অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। শুধু নৌবাহিনী নয়, বায়ুসেনাও এই বিমান ব্যবহার করতে পারবে। এই বিমানের আধুনিক রাডার, ডিজিটাল ককপিট ছাড়াও রয়েছে আধুনিক জিপিএস ব্যবস্থা। এই বিমান একসঙ্গে চার থেকে পাঁচটি লক্ষ্যবস্তুতে নির্ভুল লক্ষ্যে আঘাত হানতে পারবে। এয়ার টু গ্রাউন্ড ও এয়ার টু এয়ার দুই ক্ষেত্রেই সফলভাবে অপারেশন চালাতে পারবে এই মার্কিন বিমান। এই বিমানের অস্ত্র বহন ক্ষমতাও অনেক বেশি।