অনলাইন ডেস্ক, ২৬ ডিসেম্বর।। কৈশোর থেকে তারুণ্য-এ সময়টা টলমল প্রেমের। সেটা কতটুকু আবেগ বা কতটুকু বাস্তবতা, সেটি অন্য প্রশ্ন। তবে প্রেমের প্রস্তাব পেতে কার না ভালো লাগে। কিন্তু প্রস্তাব পেয়েই কি প্রেমে পড়া হয়, আবার প্রেম শুরুর পর কি সেটি দীর্ঘস্থায়ী হয়!কেউ আপনাকে প্রেম নিবেদন করল, কিন্তু আপনার মন সায় দিল না।
এখন কীভাবে তাকে প্রত্যাখ্যান করবেন? একইভাবে কোনো সম্পর্ক থেকে আপনি বের হয়ে আসতে চাইছেন। সেটি কীভাবে করবেন? ব্যাপারটা কিন্তু মোটেও সহজ নয়। আপনাকে ভালোবাসে মানুষটির ভেতরে কিন্তু আপনাকে নিয়ে তীব্র আবেগ কাজ করে। ফলে তাকে ফিরিয়ে দেওয়া বা প্রত্যাখ্যান করা কঠিন। আসুন জেনে নিই, প্রেমে আপত্তি থাকলে যেভাবে না বলবেন।
১. প্রথমেই সামনের মানুষটির প্রশংসা করুন। তাকে আগে জানান তিনি কতটা ভালো মানুষ। আর আপনি তাকে কতটা সম্মান করেন। সেই সম্মান দিয়েই বলুন আপনি আর প্রেমের সম্পর্কে থাকতে চান না। ২. সরাসরি সত্যটাই বলুন। কেন আপনি প্রেমে জড়াতে চান না বা কেন প্রেম থেকে বেরিয়ে আসতে চান সেটি অপরজনকে সোজাসুজি বলে দিন। যদি অন্য কাউকে আপনার ভালো লাগে বা কারও সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছেন। তাও বলে দিতে পারেন।
৩. যদি বিষয়টি জটিল হয়, তার কাছাকাছি গিয়ে বসুন। হাত ধরে বলুন, আপনি তার ব্যথা বুঝতে পারছেন, কিন্তু কোনোভাবে সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা আপনার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। তাই ছেড়ে যাওয়া ছাড়া আপনার আর কোনো উপায় নেই।
৪. কখনও বৃথা আশ্বাস দেবেন না। মানে, আপাতত বিষয়টি এখানেই থাক, পরে যদি মনে হয় তাহলে দেখা যাবে। এমন আশ্বাস দেয়া উচিত হবে না। কারণ সঙ্গীর মনে আপনি আরও আশা জিইয়ে দিলেন। পরবর্তীতে তাকে প্রত্যাখ্যান করতে কষ্টকর হয়ে ওঠবে আপনার জন্য। ৫. কথা যত কম বলা যায় ততই মঙ্গল। বেশি কথা বলতে গিয়ে অনভিপ্রেত এমন কিছু বলে ফেললেন, যাতে অশান্তি বা ঝগড়ার সৃষ্টি হলো। তাই পারলে স্বল্প কথায় বিচ্ছেদ সারুন। তবে সঙ্গী আবেগী হয়ে পড়লে তাকে কিছুটা সময় দিন।
৬. প্রত্যাখ্যান করতে গিয়ে স্বাভাবিকভাবেই আবেগময় পরিস্থিতি তৈরি হবে। সেটি যাতে না হয় নিজের দিকে খেয়াল রাখুন। নিজেকে শক্ত রাখুন। তারপর সঙ্গীকে নিজের মনের কথা খুলে বলুন। ৭. ফোন বন্ধ করে, ম্যাসেজের উত্তর না দিয়ে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্লক করে কোনোভাবেই প্রেমের সম্পর্কে ইতি টানা উচিত নয়। সরাসরি দেখা করে সঙ্গীকে আপনার আপত্তির কথাটা বলুন।
৮. বিচ্ছেদ হওয়ার পর সঙ্গীর কোনো আবদার মেটানো উচিত হবে না, যদি একেবারেই বিষয়টি আপনি শেষ করতে চান। শেষ মানে শেষ। ফলে কোনোভাবে উচিত হবে না, ন্যূনতম সম্ভাবনা জিইয়ে রাখা।
৯. প্রত্যাখ্যানের সময় গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে, আপনার কথায় যাতে অপরজন অসম্মানিতবোধ না করে। চেষ্টা করুন, তাকে দায়ী না করতে। একটি সম্পর্ক যেভাবে সুন্দরভাবে শুরু হয়, সুন্দরভাবেও এর ইতি টানা যায়।
১০. আলাদা হয়ে যাওয়ার পর যোগাযোগ কমিয়ে দেওয়াটা উচিত কাজ হবে। তাহলে বিচ্ছেদের কষ্ট থেকে দুজনেরই বেরিয়ে আসতে পারবেন দ্রুত।