যুক্তরাজ্যে করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট, সতর্ক ডব্লিউএইচও

অনলাইন ডেস্ক, ২০ ডিসেম্বর।। ব্রিটেনে নভেল করোনাভাইরাসের নতুন একটি ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হওয়ায় দেশটির সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। বিবিসি জানিয়েছে, ভ্যারিয়েন্টটি আসল ভার্সনের চেয়েও দ্রুত ছড়ায়। তবে তুলনামূলক বেশি প্রাণঘাতী নয়। ভ্যাকসিন প্রস্তুতকারক কোম্পানিগুলো বলছে, রূপান্তর বা মিউটেশনের পর করোনা কিছুটা পাল্টে গেলেও সমস্যা হবে না। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, তারা ব্রিটিশ বিজ্ঞানীদের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে ‘নিবিড় যোগাযোগ’ রাখছেন।

সেপ্টেম্বরের তথ্য অনুযায়ী, সারা বিশ্বে সব মিলিয়ে ৬ ধরনের করোনা ভাইরাস পাওয়া গেছে। এর মধ্যে বাংলাদেশের ২৬৩টি করোনা ভাইরাস পর্যবেক্ষণ করে বিসিএসআইআরের গবেষকেরা ৪ ধরনের-২৪৩টি জিআর ক্লেড, ১৬টি জিএইচ ক্লেড, ৩টি জি ক্লেড এবং ১টি ও ক্লেড করোনা ভাইরাসের উপস্থিতি পেয়েছেন। এছাড়া করোনার নমুনাগুলোর শতভাগ ক্ষেত্রে মোট ৪টি মিউটেশনে পুনরাবৃত্তি লক্ষ্য করা গেছে। এসব পরিবর্তন দেশে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের জন্য মূলত দায়ী।

পৃথিবীর প্রথম দেশ হিসেবে ব্রিটেন ট্রায়ালের বাইরে করোনার টিকা দেয়া শুরু করেছে। তাদের ফাইজারের ভ্যাকসিন আরো কয়েকটি দেশ ইতিমধ্যে অনুমোদন দিয়েছে। কোম্পানিটির দাবি, ভ্যাকসিন ৯০ শতাংশের বেশি কার্যকর। এখন পর্যন্ত ছয়টি দেশে ৪৩ হাজার ৫০০ জনের শরীরে ফাইজার ও বায়োএনটেক টিকার কার্যকারিতা পরীক্ষা করে দেখা হয়েছে এবং এতে ঝুঁকিপূর্ণ পাওয়া যায়নি। এই টিকার ক্ষেত্রে একেবারে ভিন্ন ধরনের একটি পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছে যাতে মানবদেহের রোগ প্রতিরোধী ব্যবস্থাকে ‘প্রশিক্ষিত’ করে তোলার জন্য ভাইরাসটির জেনেটিক কোড শরীরে ইনজেক্ট করা হয়।

You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

চ্যাট খুলুন
1
আমাদের হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠান
হেলো, 👋
natun.in আপনাকে কিভাবে সহায়তা করতে পারে?