অনলাইন ডেস্ক, ১৮ ডিসেম্বর।। ২০২৭ সালের এএফসি এশিয়ান কাপের আয়োজক ভারত। সুনীল ছেত্রী মনে করেন, তা ভারতীয় ফুটবলের উন্নয়নের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হতে চলেছে। ২০১১ এবং ২০১৯ সালে এই মঞ্চে ভারতীয় দলের হয়ে খেলেছেন সুনীল। তাই তাঁর মনে হচ্ছে, ভারতীয় ফুটবলপ্রেমীরা দারুণ একটা উপহার পেলেন। সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের টুইটার হ্যান্ডলে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সুনীল বলেছেন, “যে কোনও আন্তর্জাতিক মঞ্চে নিজের দেশের হয়ে খেলার মতো আনন্দ আর কিছু হতে পারে না।
তার উপরে ২০২৭ সালে আমাদের দেশেই আয়োজিত হবে এএফসি এশিয়ান কাপ। সেখানে খেলাটা সমস্ত ফুটবলারের কাছে দারুণ গৌরবজনক হতে চলেছে। ভারতীয় ফুটবলপ্রেমী দর্শকরাও দারুণ একটা উপহার পেলেন।” আন্তর্জাতিক ফুটবলে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ স্কোরার আরও যোগ করেছেন, “২০১৭ সালে আমরা আয়োজক ছিলাম ফিফা অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপের। সেই প্রতিযোগিতা যে কতটা জনপ্রিয় এবং ফুটবলপ্রেমীদের মনে উন্মাদনা তৈরি করেছিল, সেটা সকলেই জানেন। ২০২২ সালে অনূর্ধ্ব-১৭ ফিফা মহিলা বিশ্বকাপও হবে আমাদের দেশে। তার পরে ২০২৭ সালে আমাদের দেশেই আবার এশীয় স্তরের সেরা প্রতিযোগিতা আয়োজিত হবে।
ভারতীয় ফুটবলের উন্নয়নের ক্ষেত্রে এই ব্যাপারগুলো দারুণ কাজে আসবে।” ২০১১ সালে এশিয়ান কাপে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের জন্য তাঁকে সবাই আদর করে নাম দিয়েছিলেন স্পাইডারম্যান। সেই অভিজ্ঞ গোলকিপার সুব্রত পাল বলেছেন, “আমি নিজেকে ভাগ্যবান বলে মনে করি যে, সেই প্রতিযোগিতায় খেলার সুযোগ পেয়েছিলাম। নিজের দেশে সমর্থকদের সামনে এএফসি এশিয়ান কাপের ম্যাচ খেলার অনুভূতিটা সম্পূর্ণ আলাদা প্রকৃতির হবে বলেই আমি মনে করি। তাছাড়া গত কয়েক বছরে ভারতীয় ফুটবলের পরিকাঠামোয় যে পরিবর্তন হয়েছে তাতে এশিয়ান কাপ আয়োজনের যোগ্যতা অর্জন করে ফেলেছে ভারত।
বিশ্বায়িত ফুটবলের মানচিত্রে ভারতের নামও এবার খুব সহজে যুক্ত হয়ে যাবে বলে আমি মনে করি।” একই অভিমত আর এক গোলকিপার গুরপ্রীত সিং সান্ধুর। তিনি বলেছেন, “গত কয়েক বছরে ভারতীয় ফুটবল দলের পারফরম্যান্সও খুব ইতিবাচক ছিল। কাজেই এমন একটা প্রতিযোগিতা আয়োজন করার মতো ক্ষমতা ফেডারেশন আগেই অর্জন করে ফেলেছিল। আমার ধারণা, এতে ভারতীয় ফুটবলের ভবিষ্যৎ আরও উজ্জ্বল হয়ে উঠবে।”