অনলাইন ডেস্ক, ১৭ ডিসেম্বর।। অন্য দেশে এলেও ভারতের বাজারে এখনও আসেনি করোনার টিকা। এখনও পর্যন্ত যা ইঙ্গিত মিলেছে তাতে ২০২১-এর জানুয়ারিতে এসে যেতে পারে করোনার ভ্যাকসিন। তাই অযথা সময় নষ্ট করতে নারাজ দিল্লির অরবিন্দ কেজরিওয়াল সরকার।
ভ্যাকসিন আসার পর যে সমস্ত স্বাস্থ্যকর্মীরা মানুষকে টিকা দেবেন তাঁদের আগেভাগেই প্রশিক্ষণ দেওয়ার কাজ শুরু করে দিল দিল্লি সরকার। প্রায় সাড়ে তিন হাজার স্বাস্থ্যকর্মীকে টিকাকরণের প্রশিক্ষণ দেওয়া শুরু হয়েছে। দিল্লি সরকারের পক্ষ থেকে মৌলানা আজাদ মেডিকেল কলেজের তিন চিকিৎসককে ভ্যাকসিন অফিসার হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে।
তারাই পরবর্তী পর্যায়ের অফিসারদের প্রশিক্ষণ দেবেন। ওই অফিসাররা জেলাস্তরে স্বাস্থ্য কর্মীদের টিকাকরণের প্রশিক্ষণ দেবেন। বৃহস্পতিবার মৌলানা আজাদ মেডিকেল কলেজের চিকিৎসক প্রজ্ঞা শর্মা জানিয়েছেন, এই স্বাস্থ্যকর্মীরা প্রশিক্ষণ পেয়ে জেলাস্তরে গিয়ে প্রশিক্ষণ দেবেন।
দিল্লিতে মোট ৬০৯ নটি কোল্ড চেন পয়েন্ট আছে। যে পয়েন্টগুলির উপর ভিত্তি করে টিকা দেওয়ার শিবির চালু করা হবে। টিকাকরণের কাজে বিপুল সংখ্যক মানুষের প্রয়োজন হবে। কেন্দ্রীয় স্তরে প্রায় তিন লক্ষ এবং দিল্লিতে প্রায় সাড়ে তিন হাজার লোকের প্রয়োজন।
সেই কর্মীদের কাজ বিভিন্ন স্তরে ভাগ করা থাকবে। প্রথম পর্যায়ে একজন অফিসার সমস্ত তথ্য যাচাই করবেন। দ্বিতীয় পর্যায়ের অফিসার সমস্ত নথিপত্র খতিয়ে দেখবেন। তৃতীয় পর্যায়ের অফিসার ভিড় নিয়ন্ত্রণ করবেন। টিকা নেওয়ার পর কোনও ব্যক্তির শরীরে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে কিনা তা দেখার জন্য একশ্রেণীর অফিসার নিযুক্ত থাকবেন।
ভ্যাকসিন এসে গেলে তা যাতে প্রথমদিন থেকেই দেওয়া যায় সেজন্যই আগেভাগে উদ্যোগী হয়েছে কেজরি সরকার। উল্লেখ্য, দিল্লির করোনা পরিস্থিতি এখনও বেশ উদ্বেগজনক।