স্টাফ রিপোর্টার, আগরতলা, ১৬ ডিসেম্বর।।
বুধবার ত্রিপুরা মধ্যশিক্ষা পর্ষদের গভর্নিং বডির বার্ষিক সাধারন বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ত্রিপুরা মধ্যশিক্ষা পর্ষদের কনফারেন্স হলে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা মন্ত্রী রতন লাল নাথ, ত্রিপুরা মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সভাপতি ডঃভবতোষ সাহা সহ অন্যান্যরা।
বৈঠকে এইদিন একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠক শেষে শিক্ষা মন্ত্রী রতন লাল নাথ জানান এই প্রথম ত্রিপুরা মধ্যশিক্ষা পর্ষদ পরিচালিত মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় কোন বিষয়ে পাশ করার জন্য ৩৩ পেতে হবে।
প্রথম বারের মতো এই বছর দুই ধরনের প্রশ্ন পত্র হবে। ৩০ শতাংশ সিলেবাস কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। যারা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় বসবে তাদের ফর্ম ফিলাপ করে বিদ্যালয় কতৃপক্ষ ১৫ জানুয়ারি থেকে ২৭ জানুয়ারির মধ্যে পাঠাতে হবে মধ্যশিক্ষা পর্ষদের নিকট। প্রিবোর্ড পরীক্ষার আগে রেগুলার ক্লাস চলবে ৩০ মার্চ পর্যন্ত। প্রেক্টিকেল পরীক্ষা ১৫ মার্চ থেকে ৩০ মার্চের মধ্যে শেষ করতে হবে।
প্রিবোর্ড পরীক্ষা ১ এপ্রিল থেকে শুরু হবে। এবং ২০ এপ্রিলের মধ্যে শেষ করতে হবে। তবে এই পরীক্ষার সময়সূচী পরিবর্তন হতে পারে। প্রিবোর্ড পরীক্ষার ফলাফল ৩০ এপ্রিলের মধ্যে প্রকাশ করতে হবে। প্রিবোর্ড পরীক্ষার ১০ নাম্বার যোগ হবে মূল পরীক্ষার ফলাফলের সাথে। এছাড়াও সাপ্তাহিক পরীক্ষা হবে। সাপ্তাহিক পরীক্ষার ৫ নাম্বার যোগ হবে মূল পরীক্ষার নাম্বারের সাথে।
পাশাপাশি এসাইনমেন্ট থেকে ৫ নাম্বার মূল পরীক্ষার নাম্বারের সাথে যোগ হবে। মে মাসের ৮ তারিখের মধ্যে ইন্টারনাল পরীক্ষার ফলাফল বোর্ডের কাছে পাঠিয়ে দিতে হবে স্কুল গুলিকে। ১০ মে থেকে ৯ জুন পর্যন্ত মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে পারে। তবে এই সময়সূচী পরিবর্তন হতে পারে। পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়ন করা হবে আগরতলায়।
বছর বাচাও পরীক্ষায় যারা ফেল করবে তারা পরবর্তী বছর কম্পার্টম্যান্টাল পরীক্ষায় বসতে পারবে। আবার তারা চাইলে পরবর্তী বছর নতুন করে পরীক্ষায় বসতে পারবে। তবে এই ক্ষেত্রে তাদেরকে নতুন সিলেবাসে পরীক্ষায় বসতে হবে। বুধবারের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত গুলি গ্রহণ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।