অনলাইন ডেস্ক, ১৬ ডিসেম্বর।। রক্ষকই যখন ভক্ষক হয়ে উঠল। আবারও সামনে এল এক বর্বর ঘটনা। তেলেঙ্গানার এক স্কুলের পাঁচ ছাত্রীকে ধর্ষণের ভয়ঙ্কর অভিযোগ উঠল খোদ প্রধান শিক্ষকেরই বিরুদ্ধে। নির্যাতিতাদের বয়স ৭ থেকে ১১-র মধ্যে। স্থানীয় থানায় অভিযোগ দায়ের হতেই পলাতক ওই শিক্ষক। পুলিশ তল্লাশি শুরু করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ৪০ বছরের ওই অভিযুক্ত যৌন নির্যাতনের আগে জোর করে পর্ন দেখতে বাধ্য করত নির্যাতিতাদের।
এমনকি ধর্ষণের পরে হুমকি দিত মুখ খুললে ক্ষতি করে দেওয়ার। এমন অভিযোগ শুনে শিউরে উঠেছেন স্কুলের অভিভাবকরা। কী করে সামনে এল এই নারকীয় নির্যাতনের কথা? সম্প্রতি ওই প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির এক ছাত্রী অসুস্থ হয়ে পড়েছিল। তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে সে তার মা’কে সব কথা খুলে বলে। তখনই প্রথম প্রকাশ্যে আসে প্রধান শিক্ষকের কীর্তি।
আসতে আসতে জানা যায়, একজন নয়। ইতিমধ্যেই ভদ্রদ্রি গ্রামের ওই প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঁচজনকে ধর্ষণ করেছে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক। পুলিশ জানিয়েছে, গত আগস্ট থেকে এই কাণ্ড ঘটিয়ে আসছে অভিযুক্ত। তার বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৭৬ ধারা ছাড়াও পকসো আইনেও মামলা করা হয়েছে।
সাব ইন্সপেক্টর লক্ষ্মীদেব পল্লি জানিয়েছেন, লকডাউনের পরে স্কুল খুললে ওই প্রধান শিক্ষক ও আরও একজন শিক্ষক পালা করে স্কুলে আসতেন। কেননা নিয়মিত ক্লাস বন্ধই ছিল। এই পরিস্থিতিরই সুযোগ নিত অভিযু্ক্ত। সে একেক সময় একেক জন ছাত্রীকে বাড়ি থেকে স্কুলে নিয়ে আসত পড়ানোর নাম করে।
তারপর স্কুল ফাঁকা থাকার সুযোগে ধর্ষণ করত তাদের। এছাড়াও পুলিশ সুপারিটেন্ডেন্ট সুনীল দত্ত জানিয়েছেন, পুলিশ ইতিমধ্যেই অভিযুক্তের সন্ধানে তল্লাশি শুরু করেছে। তাঁর কথায়, ‘‘অভিযুক্ত ধরা পড়লে তার অপরাধ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।’’