অনলাইন ডেস্ক, ১৪ ডিসেম্বর।। বিভূতিভূষণের ‘চাঁদের পাহাড়’ থেকে সত্যজিতের ‘হীরক রাজার দেশে’। হিরের খনি নিয়ে মানুষের কল্পনা আর রোমাঞ্চের কমতি।
সম্পদ ও বৈভবের প্রতীক হিরে এতদিন এসেছে মাটির গভীর থেকে। এবার ছবিটা উল্টে দিতে চলেছেন বিজ্ঞানীরা। বাতাসের কার্বন ডাই-অক্সাইড আর আকাশের বৃষ্টির জল। তাই দিয়েই তৈরি হয়ে যাবে ১০০ শতাংশ খাঁটি হিরে! কল্পবিজ্ঞানের গল্প নয়, এটা বাস্তবই।
অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে পরিবেশবান্ধব হিরে তৈরি করতে শুরু করেছে ব্রিটেনের স্কাই ডায়মন্ডস। গবেষণাগারের বিশেষ চুল্লিতে তৈরি করা হচ্ছে ৮০০০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড উত্তাপ, যা সূর্যের পৃষ্ঠের সমান। তাতে কার্বন ডাই অক্সাইড আর বৃষ্টির জল থেকে পাওয়া হাইড্রোজেনের বিক্রিয়ায় তৈরি হচ্ছে নিখুঁত হিরে। নির্মাতারা বলছেন, খনির হিরের জোগান ক্রমশ কমছে।
আর খনিগুলোতে প্রায়ই অত্যাচার, জোর করে কাজ করানো এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের নানা অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ ওঠে পরিবেশ ধ্বংসেরও। নতুন পদ্ধতিতে সেসবের কোনও বালাই নেই। পরের বছর থেকেই এই হিরের বিক্রি শুরু হবে। দামের ব্যাপারে এখনও কিছু জানানো হয়নি সংস্থার তরফে।