স্টাফ রিপোর্টার, আগরতলা, ১২ ডিসেম্বর।।দপ্তরের কর্মীদের আরো বেশি সক্রিয় হয়ে কাজ করতে হবে। দপ্তরের কর্মীদের একা সিদ্ধান্ত নিলে চলবে না। দপ্তরের আধিকারিকদের মন্ত্রীকে জানিয়ে কাজ করতে হবে। নয়তো পরবর্তী সময় জটিলতা দেখা দিতে পারে দপ্তরে। আর দপ্তরের মধ্যে কোনরকম গ্রুপিং করলে চলবে না।রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে কাজ করতে হবে। অর্থাৎ দপ্তরকে সেই ভাবে কাজ করতে হবে যাতে কেউ আঙ্গুল তুলতে না পারে।
ত্রিপুরা ভেটেনারি ডক্টর এসোসিয়েশনের নবম দ্বী-বার্ষিক সম্মেলনে দপ্তরের কর্মীদের সজাগ করতে এমন ভাবেই সজাগ করলেন দপ্তরের মন্ত্রী সান্তনা চাকমা। গোমতী মিল্ক কর্পোরেশনের জন্য কেন্দ্রীয় সরকার ২২ কোটি টাকা প্ল্যান দিয়েছে রাজ্যকে। সরকারের চিন্তাভাবনা রয়েছে মিট প্রসেসিং সেন্টার রাজ্যে গড়ে তোলার জন্য। রাজ্যে মাংসের চাহিদা যেমন বাড়ছে, অন্যদিকে বহিঃ রাজ্যেও মাংসের চাহিদা বাড়ছে। রাজ্য মাংসের দিকে স্বনির্ভর আছে। মিট প্রসেসিং সেন্টার গড়ে তোললে রাজ্যের আর্থিক জটিলতা হ্রাস পাবে। কর্মসংস্থান হবে। দুধ এবং ডিম উৎপাদনের দিকে রাজ্যকে আরো বেশি স্বনির্ভর হতে হবে। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে রুদ্র সাগরে ২০ হাজার হাস দেওয়া হয়েছে।
৪০ কোটি ডিম বহিঃ রাজ্য থেকে চাহিদা মেটাতে রাজ্যে আমদানি করতে হয়। বর্তমানে দৈনিক রাজ্যে ৪০ হাজার ডিম উৎপন্ন করা সম্ভব হচ্ছে। দুধ এবং ডিমের চাহিদা মেটাতে লক্ষ্য পূরণ করার পরিকল্পনায় রাখলে চলবে না। লক্ষ্যের উধেব উঠে কাজ করতে হবে। তাহলে রাজ্য স্বয়ংসম্পূর্ণ হবে বলে অভিমত ব্যক্ত করেন শ্রীমতি চাকমা। অনুষ্ঠানে প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করে শুভ সূচনা করেন মন্ত্রী সান্তনা চাকমা। অনুষ্ঠানে এছাড়া উপস্থিত ছিলেন এ আর ডি ডি অধিকর্তা ডাঃ কে শশী কুমার, সমীর দাস সহ অন্যান্যরা।