অনলাইন ডেস্ক, ৩ ডিসেম্বর।। ২০১২ সালে পথদুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় লাতুরের বাসিন্দা অন্নারাও বনসোডের। আর পাঁচটা পথ দুর্ঘটনার মতো এক্ষেত্রেও মামলা ক্লোজড হয়ে যায়। সন্দেহ ছিল না কারও মনেই। কিন্তু সন্দেহ রয়ে যায় বিমা কোম্পানির। সন্দেহ নিরসনে তাই নতুন করে তদন্ত শুরু হয়। আর তাতেই উঠে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা যায়, বিমার এক কোটি হাতাতেই স্ত্রী পরিকল্পনা করে খুন করায় স্বামীকে। ঘটনার আট বছর পর মৃতের স্ত্রীকে গ্রেফতার করল পুলিশ। ঘটনার এক তদন্তকারী আধিকারিক জানান, বাভলগাঁও গ্রামের কাছে পথদুর্ঘটনায় মারা যান অন্নারাও বনসোড নামে লাতুরের বাসিন্দা এক ব্যক্তি। পরিবারের পক্ষ থেকে দুর্ঘটনায় মৃত্যুর মামলা রুজু করেছিল। পরে সেই মামলাটি স্বাভাবিক ভাবেই ক্লোজড হয়ে যায়। কিন্তু, বিমা কোম্পানি এই মৃত্যু নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করলে, নতুন করে এই মামলা নিয়ে নাড়াচাড়া শুরু হয়।
দুর্ঘটনাস্থল ঘোরার পর বিমা কোম্পানির আধিকারিকদের মনে হয়, ওই মৃত্যু দুর্ঘটনা নয়। পিছনে অন্য কারণ রয়েছে। তাই বিমা সংস্থার তরফে থানায় নতুন করে প্রতারণার অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। ঘটনার ২ বছরের মাথায় ২০১৪ সালের ২৮ এপ্রিল মৃতের এক ভাই ভগবত বনসোড আউসাকে দিয়ে মৃতের স্ত্রী জ্যোতি বনসোডের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করায় মহারাষ্ট্র পুলিশের অপরাধ দমন শাখার ইনস্পেক্টর সুনীল নগরগোজে। মৃত্যু নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে অভিযোগ করে বিমা এজেন্ট রমেশ বিবেকি ও মৃতের এক বন্ধু গোবিন্দ সুবোধি। কিন্তু তখন জ্যতির বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয় না। ২০ অক্টোবর তাঁর বিরুদ্ধে আদালতে একটি চার্জশিটও পুলিশ দিয়েছে। লাতুর পুলিশ সুপারের নির্দেশে গত তিন মাস ধরে নতুন করে ওই ঘটনায় তদন্ত শুরু হয়েছে। তার ভিত্তিতে গত সম্প্রতি মৃতের স্ত্রী জ্যোতিকে পুলিশ গ্রেফতার করে।