অনলাইন ডেস্ক, ২ ডিসেম্বর।। মঙ্গলবারের বৈঠক ব্যর্থ। কেন্দ্রের কমিটি গঠনের প্রস্তাব সরাসরি ফিরিয়ে দিয়েছে কৃষকরা। সরকারকে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ‘এটা কমিটি গঠনের সময় নয়।’ নয়া কৃষি আইন বাতিলের দাবিতেই অনড় কৃষকরা। বৃহস্পতিবার ফের আলেচনায় বসার কথা। কিন্তু তার আগে বুধবার সকাল থেকেই বিক্ষোভের তীব্রতা যেন বৃদ্ধি পাচ্ছে। মঙ্গলবারের বৈঠকে কৃষিমন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমার একটি বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব দেন। কৃষক প্রতিনিধি ছাড়াও সরকারের কয়েকজন প্রতিনিধি ও কৃষি বিশেষজ্ঞ নিয়ে তৈরি কমিটিতে চলতি বছরে আনা কৃষি আইন সম্পর্কে আলোচনা করা হবে বলেই তিনি জানান। তবে কৃষকেরা এই প্রস্তাব ফিরিয়ে দেন।
এরপরই বুধবার সকালে সিঙ্ঘু সীমান্তে হরিয়ানা এবং পাঞ্জাব থেকে আসা কৃষকরা নতুন করে দিল্লিতে প্রবেশ করার চেষ্টা না করলেও গাজিপুর-গাজিয়াবাদ সীমান্ত দিয়ে উত্তরপ্রদেশের কৃষকরা রাজধানীতে প্রবেশ করার চেষ্টা করেন। তাঁদের পুলিশের ব্যারিকেড ভাঙতেও দেখা যায়। বাধ্য হয়ে দিল্লিতে ঢোকার পাঁচটি রাস্তা পুরোপুরি সিল করে দিয়েছে পুলিশ। কোনওরকম যানবাহন চলাচলেরও অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না।এদিকে কৃষক আইন ইস্যুতেই অবিলম্বে সংসদে অধিবেশন ডাকার দাবি তুলেছে কংগ্রেস। এতদিন পর্যন্ত শোনা যাচ্ছিল, করোনা পরিস্থিতিতে সংসদের শীতকালীন অধিবেশন বাতিল করতে পারে সরকার। তা জুড়ে দেওয়া হতে পারে আগামী বাজেট অধিবেশনের সঙ্গে।
সরকারি সূত্র দাবি করেছিল, বিরোধীদের সঙ্গে আলোচনা করেই অধিবেশন বাতিলের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করবে কেন্দ্র। কিন্তু কৃষকদের বিক্ষোভের তীব্রতা বাড়তেই উলটো সুর শোনা যাচ্ছে কংগ্রেসের নেতৃত্বের গলায়। কৃষি আইন নিয়ে আলোচনার জন্য সংসদের অধিবেশন ডাকার প্রস্তাব দিচ্ছে তারা। দলের বর্ষীয়ান নেতা তথা পাঞ্জাবের সাংসদ মণীশ তেওয়ারি বলছেন,”কৃষকরা দিল্লিতে অবস্থান করছেন। অর্থনীতিতে সরকারিভাবে মন্দা চলছে। সরকারের যত দ্রুত সম্ভব লোকসভার অধিবেশন ডাকা উচিত।”