অনলাইন ডেস্ক, ২ ডিসেম্বর।। সকলকে ভ্যাকসিন দেওয়ার দরকার নেই। সরকারি সহায়তায় তাদেরকেই ভ্যাকসিন দেওযা হবে যাঁরা ঝুঁকিমূলক অবস্থায় রয়েছেন। অন্য সুস্থ ব্যক্তিদের টিকা কিনে নিতে হবে। এমনটাই জানানো হল স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তরফে। বিহার ভোটের সময় সবাইকে বিনামূল্যে করোনা ভ্যাকসিন দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল এনডিএ নেতৃত্ব। শুধু তাই নয়, প্রত্যেক ভারতবাসীকে ভ্যাকসিন দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কিন্তু এবার অন্যকথা শোনা গেল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যসচিবের গলায়। দেশের সমস্ত নাগরিককে ভ্যাকসিন নয়, বরং সংক্রমণের ধারা রুখতে নির্দিষ্ট পদ্ধতি মেনেই টিকাকরণ অভিযান চালানো হবে। দেশের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের সাপ্তাহিক সাংবাদিক বৈঠকে এই সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যসচিব রাজেশ ভূষণ বলেন, “সরকারের তরফে গোটা দেশের মানুষকে করোনার টিকাকরণ করা হবে, এমন কথা কখনই বলা হয়নি। টিকাকরণের পুরো বিষয়টি নির্ভর করবে ভ্যাকসিনের কার্যকারিতার ওপর।
সংক্রমণের ধারাকে রুখতে পারাই আসল ও গুরুরত্বপূর্ণ কাজ।” কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যসচিবের এই বক্তব্যের সঙ্গে সহমত পোষণ করেন ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চের ডিরেক্টর জেনারেল বলরাম ভার্গবও। তিনি বলেন, ‘‘প্রয়োজনীয় সংখ্যক মানুষকে ভ্যাকসিন দেওয়ার পর যদি সংক্রমণের শৃঙ্খল ভঙ্গ হয়ে যায়, তাহলে বাকি জনগণকে টিকা দেওয়ার প্রয়োজনই নেই।’’ আগামী বছরের জুলাইয়ের মধ্যে ২৫-৩০ কোটি মানুষকে করোনা টিকা দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে কেন্দ্র। এর মধ্যে আছে প্রায় ৩ কোটি স্বাস্থ্যকর্মী ও অন্যান্যরা যাদের বাড়িতে থেকে কাজের উপায় নেই। সেই জন্য প্রায় ৫০-৬০ কোটি কোভিড ডোজ ইতিমধ্যেই জোগার করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।