স্টাফ রিপোর্টার, কমলপুর, ৩০ নভেম্বর।। ১৭৯৮ সালে মনিপুরের রাজা রাজর্ষী ভাগ্যচন্দ্র তার কনিষ্ঠা কন্যা হরিশ্বেশ্বরী দেবীকে ত্রিপুরার মহারাজা দ্বিতীয় রাজধর মাণিক্যের সঙ্গে বৈবাহিক সূত্রে আবদ্ধ করে রাধামাধব বিগ্রহটি পূজার জন্য প্রদান করেন। প্রথম অবস্থায় এটি জিরানিয়ায় অবস্থিত ছিল। কিন্তু পরবর্তী সময়ে তা স্থান করে নেয় রাধানগরস্থিত রাধামাধব মন্দিরে। তখন থেকে প্রতিবছর শারদ জ্যোৎস্নায় প্লাবিত কার্তিক পূর্ণিমা তিথিতে মনিপুরী সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী মহারাশ চিরাচরিত প্রথায় মন্দিরে প্রতিপালিত হচ্ছে।
এভাবে রাজা রাজর্ষী ভাগ্যচন্দ্র রাসলীলাকে যেমন মহিমান্বিত করেছেন, তেমনি মহামিলনে প্রতিধ্বনিত করেছেন। রাধামাধব মন্দিরে শুরু হয়েছে মহারাস উৎসব। রবিবার রাতে এই মহারাস উৎসবের সূচনা করেন মন্ত্রী মেবার কুমার জমাতিয়া। মণিপুরী সম্প্রদায়ের সার্বজনীন উৎসব এই রাস। এবছর রাধামাধব উন্নয়ন মন্দিরে ২২৩ তম মহারাস উৎসব উদযাপিত হচ্ছে। বর্তমানে সরকারি ব্যবস্থাপনায় এই রাস উৎসব উদযাপিত হয়। এরপর চিরাচরিত প্রথা মেনে চলে রাস নৃত্য।