স্টাফ রিপোর্টার, কমলপুর, ২৯ নভেম্বর।। ১৭৯৮ সালে মনিপুরের রাজা রাজর্ষী ভাগ্যচন্দ্র তার কনিষ্ঠা কন্যা হরিশ্বেশ্বরী দেবীকে ত্রিপুরার মহারাজা দ্বিতীয় রাজধর মাণিক্যের সঙ্গে বৈবাহিক সূত্রে আবদ্ধ করে রাধামাধব বিগ্রহটি পূজার জন্য প্রদান করেন। প্রথম অবস্থায় এটি জিরানিয়ায় অবস্থিত ছিল। কিন্তু পরবর্তী সময়ে তা স্থান করে নেয় রাধানগর স্থিত রাধামাধব মন্দিরে। তখন থেকে প্রতিবছর শারদ জ্যোৎস্নায় প্লাবিত কার্তিক পূর্ণিমা তিথিতে মনিপুরী সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী মহারাশ চিরাচরিত প্রথায় মন্দিরে প্রতিপালিত হচ্ছে। এভাবে রাজা রাজর্ষী ভাগ্যচন্দ্র রাসলীলাকে যেমন মহিমান্বিত করেছেন, তেমনি মহামিলনে প্রতিধ্বনিত করেছেন।
আগামী ৩০ শে নভেম্বর মহারাস উৎসব অনুষ্ঠিত হবে। মণিপুরী সম্প্রদায়ের সার্বজনীন উৎসব এই রাস। এবছর রাধামাধব উন্নয়ন মন্দিরে ২২৩ তম মহারাস উৎসব উদযাপিত হবে। বর্তমানে সরকারি ব্যবস্থাপনায় এই রাস উৎসব উদযাপিত হয়। তারই প্রস্তুতি চলছে জোড় কদমে। এই মন্দিরের ইতিহাস তুলে ধরে মহারাস উৎসবে সকলকে স্বাগত জানান মন্দিরের পূজারী অভিজিৎ ভট্টাচার্য। আগামী ৩০ শে নভেম্বর রাত দশটা থেকে শুরু হবে মহা রাস উৎসব। অন্যদিকে আগরতলা মহারাজগঞ্জ ব্যবসায়ীদের উদ্যোগেও ৬২ তম রাধা কৃষ্ণের রাসলীলা ও গৌরাঙ্গ মহাপ্রভুর উৎসব অনুষ্ঠিত হবে। তবে এবছর অতিমারির কারণে এই উৎসবকে সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে। ৩০ শে নভেম্বর রাস পূজা করা হবে। সেদিনই নিয়ম মেনে প্রসাদ বিতরণ করা হবে বলে জানান উৎসব কমিটির প্রচার সম্পাদক চন্দন নাহা।