অনলাইন ডেস্ক, ২৯ নভেম্বর।। দেশের আট রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি এখনও উদ্বেগজনক। রবিবার সন্ধ্যায় কেন্দ্রের বুলেটিনে জানানো হয়েছে, শেষ ২৪ ঘন্টায় যত মানুষের মৃত্যু হয়েছে তার ৭১ শতাংশই ওই আট রাজ্যের বাসিন্দা। শেষ ২৪ ঘন্টায় করোনায় সবচেয়ে বেশি ৮৯ জনের মৃত্যু হয়েছে দিল্লিতে। দিল্লির পরেই রয়েছে মহারাষ্ট্র। এই রাজ্যে মৃতের সংখ্যা ৮৮।
মৃত্যুর নিরিখে পিছিয়ে নেই পশ্চিমবঙ্গ। এই রাজ্যে ৫২ জনের মৃত্যু হয়েছে। বেশ কিছুদিন ধরেই দেশে করোনা সংক্রমণের গ্রাফ কখনও নামছে তো পর মুহুর্তেই ঊর্ধ্বমুখী হচ্ছে। দৈনিক সংক্রমণের নিরিখে বেশ কয়েকদিন প্রথমে ছিল দিল্লি। কিন্তু এবার দিল্লিকে ছাপিয়ে গেল মহারাষ্ট্র। পিছিয়ে নেই উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থান ও পশ্চিমবঙ্গ। কয়েকটি রাজ্যে করোনার সংক্রমণ ও মৃত্যু যখন কমছে তেমনই কয়েকটি রাজ্যে সংক্রমণের হার এখনও যথেষ্ট ঊর্ধ্বমুখী।
যা চিন্তায় রেখেছে কেন্দ্রকে। এই মুহূর্তে যে আট রাজ্য কেন্দ্রের মাথাব্যথার কারণ সেগুলি হল দিল্লি, মহারাষ্ট্র, কেরল, পশ্চিমবঙ্গ, রাজস্থান, উত্তরপ্রদেশ, হরিয়ানা ও ছত্তিশগড়। শেষ ২৪ ঘন্টায় বিশ্বের করোনা আক্রান্ত দেশগুলির তালিকায় ফের দুই নম্বর স্থানে উঠে এসেছে ভারত। পজিটিভ রোগীর সংখ্যা আমেরিকার পর ভারতেই সবচেয়ে বেশি। পাল্লা দিয়ে বেড়েছে করোনা অ্যাক্টিভ রোগীর সংখ্যা।
কেন্দ্রের পরিসংখ্যান থেকে জানা গিয়েছে, রবিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত দেশে করনা অ্যাক্টিভ রোগী সাড়ে চার লাখেরও বেশি। অ্যাক্টিভ কেসের হার প্রায় পাঁচ শতাংশ। দেশের মোট করোনা অ্যাক্টিভ কেসের ৮৫.৫ শতাংশই এই আট রাজ্যের মানুষ। কেন্দ্রের বুলেটিনে জানানো হয়েছে, মুম্বইতে দৈনিক সংক্রমণ ফের ছয় হাজার ছাড়িয়েছে। কেরলেও ছয় হাজারের বেশি নতুন সংক্রমণ ধরা পড়েছে।
রবিবার দিল্লিতে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন প্রায় পাঁচ হাজার মানুষ। দিল্লির স্বাস্থ্য দফতর জানিয়েছে, দিল্লিতে করোনা পজিটিভ রেট ৮.৬৫ শতাংশ। দু’দিন আগে যা ছিল ৮.৪৯ শতাংশ। অর্থাৎ পজিটিভিটি রেট দিল্লিতে বেড়েছে। সংক্রমণ রুখতে ইতিমধ্যেই দিল্লিতে নাইট কার্ফু জারি হয়েছে। স্কুল-কলেজ ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বন্ধ রাখার কথা জানিয়েছে কেজরিওয়াল সরকার।