অনলাইন ডেস্ক, ২৯ নভেম্বর।। অদ্ভুত কান্ড! এ যেন নিজের চোখকেই বিশ্বাস হয় না। মৃত বলে এক ব্যক্তিকে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল মর্গে। সেই ব্যক্তি শেষ পর্যন্ত উঠে বসেন এবং তীব্র যন্ত্রণায় চিৎকার করে ওঠেন। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে কেনিয়ায়। বর্তমানে পিটার সুস্থ দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠছেন বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে। এর ফলে আরও একবার চিকিৎসকদের চূড়ান্ত গাফিলতির কথা সামনে এসেছে। জানা গিয়েছে কেনিয়ার ওই যুবকের নাম পিটার কিগেন। বয়স মাত্র ৩২। চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেছিলেন। সে কারণেই পরিবারকে খবর দেওয়ার পাশাপাশি পিটারের দেহটি রাখা হয়েছিল মর্গে। শুরু হয়েছিল দেহ সমাহিত করার প্রস্তুতি।
এমন সময় মর্গের ভিতরে উঠে বসেন পিটার, যন্ত্রণায় চিৎকার করে ওঠেন। নিকট আত্মীয়রাতো বটেই, মর্গের কর্মীরাও পিটারকে এভাবে চিৎকার করে উঠতে দেখে হতবাক হয়ে যান। কয়েকদিন আগে শারীরিক অসুস্থতার কারণে পিটারকে কেরিচো কাউন্টিতে কাপকাটেট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। কয়েকদিন চিকিৎসার পর তার মৃত্যু হয় বলে চিকিৎসকরা জানান। একাধিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরেও পিটারের শরীরে প্রাণ খুঁজে পাওয়া যায়নি। তাই তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। পিটারের দেহ রাখা হয় মর্গে। মর্গে পিটারের ডান পায়ে ফুটো করছিলেন মর্গের কর্মীরা। সেই ফুটো দিয়ে ফরমালিন প্রবেশ করানোর চেষ্টা করছিলেন তাঁরা। সে সময় তীব্র যন্ত্রণায় চিৎকার করে ওঠেন পিটার।
একই সঙ্গে তিনি উঠে বসেন। এরপরই পিটারকে দ্রুত হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসায় সাড়া দেন তিনি। কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তিনি অনেকটাই সুস্থ হয়ে ওঠেন। বর্তমানে পিটার সুস্থ দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠছেন বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে। পিটার জানিয়েছেন, তিনি নতুন জীবন পেয়েছেন। অন্যদিকে পিটারের বেঁচে ওঠার ঘটনায় চিকিৎসকরাও অবাক হয়ে গিয়েছেন। তবে এই ঘটনায় চিকিৎসকদের কোনও গাফিলতি ছিল কিনা তা জানতে তদন্ত চলছে।