স্টাফ রিপোর্টার, আগরতলা, ২৫ নভেম্বর।। ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অবৈধ ব্যবসা আজ হাতেনাতে ধরা পড়েছে। পশ্চিম ত্রিপুরা জেলা প্রশাসন আজ জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিক এবং মহিলা কমিশনের আধিকারিক-কে সাথে নিয়ে অভিযানে ধলেশ্বরে আপেল ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অবৈধভাবে সোনোগ্রাফি হচ্ছে, তা ধরে ফেলেছে।
ওই ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে পিসিপিএন্ডডিটি এক্ট অনুযায়ী মামলা হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিক সব্যসাচী সিনহা।এই অভিযান সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরে পশ্চিম ত্রিপুরা জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাঃ সংগীতা চক্রবর্তী বলেন, আজ আপেল ডায়াগনস্টিক সেন্টারে গিয়ে অবৈধভাবে সোনোগ্রাফি করা হচ্ছে বলে ধরা পড়েছে। ফিজিওলজি-র অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. সমীর নাগ এদিন সোনোগ্রাফি করছিলেন। ডাঃ সংগীতা বলেন, আমাদের দেখেই পালিয়ে গেছেন তিনি। তাঁকে ধরার চেষ্টা করা হয়েছিল।
কিন্তু, সম্ভব হয়নি। তাতেই স্পষ্ট, বেআইনি কাজকর্ম হচ্ছিল ওই ডায়াগনস্টিক সেন্টারে।ডাঃ সংগীতার কথায়, আজ এই অভিযানে উপস্থিত ছিলেন পিসিপিএন্ডডিটি আধিকারিক সব্যসাচী সিনহা, মহিলা কমিশনের আইন বিষয়ক আধিকারিক, স্ত্রী-রোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডাঃ আশীষ রক্ষিত এবং রেডিওলজিস্ট ডাঃ পরেশ ভৌমিক। পিসিপিএন্ডডিটি আধিকারিক সব্যসাচী সিনহা জানান, ওই ডায়াগনস্টিক সেন্টারটি স্ত্রী-রোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডাঃ অশোক মজুমদারের নামে পরিচালিত হচ্ছে।
কিন্তু, একজন ফিজিওলজির অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক কিভাবে সোনোগ্রাফি করছেন তা আমাদের বোধগম্য হয়নি। তিনি বলেন, বেআইনি কাজকর্ম হচ্ছিল ওই ডায়াগনস্টিক সেন্টারে তা প্রমাণিত হয়েছে। আইন অনুযায়ী এখন ওই ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কর্ণধারের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে।ডাঃ সংগীতা জানিয়েছেন, আপেল ডায়াগনস্টিক সেন্টার পরিদর্শন করে যাবতীয় অবৈধ কাজকর্ম সম্পর্কে একটি রিপোর্ট তৈরি করে জেলা প্রশাসনের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে।
জেলা প্রশাসনের অনুমতি পাওয়া গেলে ওই ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কর্ণধারের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে।এদিকে, ডাঃ অশোক মজুমদার দাবি করেন, ওই ডায়াগনস্টিক সেন্টারে কোন অবৈধ কার্যকলাপ হয়নি। যান্ত্রিক ত্রুটি সারাইয়ে ড. সমীর নাগ-কে ডাকা হয়েছিল। কারণ, তাঁর ওই সোনোগ্রাফি মেশিন সম্পর্কে যথেষ্ট ধারণা রয়েছে।