স্টাফ রিপোর্টার, তেলিয়ামুড়া, ২০ নভেম্বর।। আজ তেলিয়ামুড়ার চিত্রাঙ্গদা কলাকেন্দ্রে ৬৭ তম অখিল ভারত সমবায় সপ্তাহ উদযাপন উপলক্ষে খোয়াই জেলাভিত্তিক আলোচনা চক্রের আয়োজন করা হয়৷ প্রদীপ জালিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন ত্রিপুরা বিধানসভার সরকারি মুখ্য সচেতক বিধায়ক কল্যাণী রায়৷
উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক ডা. অতুল দেববর্মা, বিধায়ক পিনাকী দাস চৌধুরী, তেলিয়ামুড়া পুর পরিষদের চেয়ারপার্সন নীতিন কুমার সাহা, তেলিয়ামুড়া প’ায়েত সমিতির ভাইস চেয়ারম্যান অপু গোপ, সমাজসেবী আশীষ দেবনাথ, খোয়াই জেলার ডি সি এম বিধান চন্দ্র রায় প্রমুখ৷
উদ্বোধকের ভাষণে বিধায়ক কল্যাণী রায় বলেন, বর্তমানে করোনা পরিস্থিতিতে সমগ্র বিশ্বে অর্থনীতির উপর যে প্রভাব পড়েছে তার থেকে উত্তরণের এক অন্যতম পথ সমবায়৷ সমবায় সমিতিগুলি সক্রিয় হলেই গ্রামীণ অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াবে৷ দেশের জনদরদী প্রধানমন্ত্রী বিশ্বাস করেন সবকা সাথ সবকা বিকাশ এই নীতিতে আত্মনির্ভর ভারত গড়ার আহ্বান করেছেন তিনি৷ যা করতে পারলেই দেশ জগৎ সভায় শ্রেষ্ঠ আসন পাবে৷
রাজ্য সরকারও একই দিশা নিয়ে কাজ করছে৷ তিনি বলেন, প্রতিটি ল্যাম্পস, প্যা’কে ডিজিটাইলেশনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে৷ তিনি বলেন, ত্রিপুরা দুধ, ডিম, মাছ ইত্যাদিতে স্বয়ম্ভর নয়৷ গ্রামীণ সমবায় সমিতিগুলিকে দায়িত্ব নিয়ে এসমস্ত ক্ষেত্রে স্বয়ম্ভরতা অর্জনে সক্রিয় ভূমিকা নিতে হবে৷ যার ফলে যেমন লাভবান হবে রাজ্যের অর্থনীতি ঠিক তেমনি এ রাজ্যের জনগণও আত্মনির্ভর হয়ে উঠবেন৷
অনুষ্ঠানে বিধায়ক ডা. অতুল দেববর্মা বলেন, ত্রিপুরায় সমবায়ে প্রচুর সম্ভাবনাময় দিক রয়েছে৷ যা কাজে লাগিয়ে গ্রামীণ অর্থনীতির বিকাশ সম্ভব৷ বিধায়ক পিনাকী দাস চৌধুরী সহ অন্যান্য অতিথিরাও তাদের বক্তব্যে সমবায়ের গুরুত্ব তুলে ধরেন৷ সমবায়ের ইতিহাস এবং বর্তমান সময়ে দেশের অর্থনীতিতে তার প্রভাব সম্পর্কিত তথ্য তুলে ধরে স্বাগত ভাষণ দেন খোয়াই জেলার সমবায় দপ্তরের উপনিয়ামক বিজয় কুমার রায়৷
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন তেলিয়ামুড়া প্রাইমারী মার্কেটিং কো-অপারেটিভ সোসাইটির চেয়ারম্যান জয়ন্ত কুমার সাহা৷ সমবায় সপ্তাহ উদযাপন উপলক্ষে রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হয়৷ শিবিরে ২০ জন রক্ত দান করেন৷