অনলাইন ডেস্ক, ১৯ নভেম্বর।। আগামী বছর, তবে জুন কিংবা অগাস্ট নয়। তার আগেই সম্ভবত প্রস্তুত হয়ে যাবে করোনা ভ্যাক্সিন। এফআইসিসিআই এফএলও ওয়েবিনারে এই আশার কথা শোনালেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষ বর্ধন।
বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানগুলির আশঙ্কা, ২০২০-এর চেয়েও ২০২১ আরও ভয়াবহ হতে পারে। বিশেষ করে ভারতের ক্ষেত্রে তা আরও কঠিন হতে পারে। যদিও আগামী বছর সকল ভারতবাসীর জন্য শুভ হবে বলে দাবি করলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষ বর্ধন।
তিনি জানান, ‘‘আমি আত্মবিশ্বাসী কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন আর তিন থেকে চার মাসের মধ্যে প্রস্তুত হয়ে যাবে। বৈজ্ঞানিক তথ্যানুসারে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে ভ্যাকসিন বণ্টনের ক্ষেত্রে। স্বাস্থ্যকর্মী ও করোনা যোদ্ধারা স্বাভাবিক ভাবেই অগ্রাধিকার পাবেন। পাশাপাশি বয়স্ক ও অসুখ-প্রবণ ব্যক্তিদেরও অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। ভ্যাকসিন বণ্টনের বিষয়ে বিস্তৃত পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।’’
তিনি জানিয়ে দিলেন, ১৩৫ কোটি দেশবাসীকে ধাপে ধাপে এই ভ্যাকসিন পৌঁছে দেওয়া হবে। এদিকে ফের দেশের দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ৪৫ হাজারের গণ্ডি পেরিয়ে গিয়েছে বৃহস্পতিবার। আক্রান্ত হয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সদানন্দ গৌড়াও। মূলত দিল্লিতে বাড়তে থাকা সংক্রমণের হার ভাবাচ্ছে প্রশাসনকে। রাজধানীতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৫ লক্ষ ছাড়িয়ে গিয়েছে।
বুধবার একদিনে ১৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে করোনা আক্রান্ত হয়ে। যা দিল্লির পরিসংখ্যানের হিসেবে একদিনে সর্বাধিক মৃত্যু। এই পরিস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল ঘোষণা করে দিয়েছে, মাস্ক না পরলে দিতে হবে ২ হাজার টাকা জরিমানা। আগে এই জরিমানার অঙ্ক ছিল ৫০০ টাকা।