অনলাইন ডেস্ক, ১৮ নভেম্বর।। ক্রিকেটার হিসেবে তিনি খেলেন বিশ্বের নানা প্রান্তে। বর্ণ এবং ধর্ম বিভাজনের ঊর্ধ্বে উঠে মেলামেশাও করেন বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষজনের সঙ্গে। কিন্তু তার পরেও যে তাঁকে মৃত্যুর হুমকির মুখে পড়তে হবে, তা স্বপ্নেও কল্পনা করতে পারেননি শাকিব আল হাসান। পরিস্থিতির চাপে পড়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষমাও চাইতে হয়েছে বাংলাদেশের এই অলরাউন্ডারকে। খবরে প্রকাশ, কাঁকুড়গাছির একটি ক্লাবের কালীপুজোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসেছিলেন শাকিব। তার পরেই তাঁকে নিয়ে তৈরি হয় বিতর্ক।
ফেসবুক লাইভে মহসিন তালুকদার নামে এক ব্যক্তি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করে শাকিবের উদ্দেশ্যে হুমকি দেন, তিনি যে অপরাধ করেছেন, তাতে তাঁকে টুকরো টুকরো করে কেটে ফেলা হবে। তিনি মণ্ডপে উপস্থিত থেকে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় ভাবাবেগকে অপমান করেছেন। এই খবরের পরে সঙ্গত কারণেই উৎকণ্ঠা বেড়ে যায় সদ্য নির্বাসনের পালা কাটিয়ে ফেরা বাংলাদেশের এই জনপ্রিয় অলরাউন্ডারের।
তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় বিবৃতি দেন, “আমি কিন্তু পুজোর উদ্বোধন করিনি। ওই অনুষ্ঠানে আমাকে অন্যদের মতো বিশেষ অতিথি হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। ওই পুজোর উদ্বোধন করেছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মাননীয় মেয়র ফিরহাদ হাকিম। তাছাড়া যে আমন্ত্রণপত্র ছাপা হয়েছিল, সেখানে স্পষ্ট করেই লেখা ছিল আমি বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকব।
পুজোর উদ্বোধন করব না।” সেখানেই না থেমে শাকিব আরও বলেছেন, “ধর্মপ্রাণ মুসলমান হিসেবে আমি কোনও ধর্মকে অসম্মান করার পক্ষপাতী নই। তেমন কোনও প্রবৃত্তিও আমার নেই। তা ছাড়া নিজের ধর্মীয় আচার-আচরণ আমি নিষ্ঠার সঙ্গেই পালন করে থাকি। ফলে ওই অনুষ্ঠানে আমার উপস্থিতি যদি কারও মনে আঘাত দিয়ে থাকে, তার জন্য আমি লজ্জিত। আন্তরিক ভাবে সকলের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।”