এসএফ১১ এর প্রতারণা, মেলাঘর থানায় মামলা করলেন সাতজন

স্টাফ রিপোর্টার, আগরতলা, ১৫ নভেম্বর৷৷ রাজ্য থেকে কোটি কোটি টাকা লুট করে নিয়ে গিয়েছে একটি প্রতারক চক্র অনলাইন নেটওয়ার্ক ব্যবসার নাম দিয়ে৷ হাজার হাজার যুবক-যুবতী থেকে শুরু করে গৃহবধূরা পর্যন্ত এই প্রতারক চক্রের খপ্পরে পড়ে আর্থিক লোকসানের মধ্যে পড়ে গিয়েছেন৷ মুনাফার ললিপপ দেখিয়ে প্রতারণার ফাঁদ তৈরী করা হয়৷ গুজরাটের কিছু প্রতারক এই চক্রের পান্ডা৷ ত্রিপুরা সহ দেশের বিভিন্ন রাজ্যে এই প্রতারণার জাল বিস্তার করেছিল করোনা পরিস্থিতিতে৷

লকডাউন শুরু হওয়ায় দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা যখন মারাত্মকভাবে প্রভাবিত এবং রুজি রোজগারের পথ সীমিত হয়ে পড়েছিল তখনই এই প্রতারক চক্র জাল বিস্তার করেছিল এসএফ১১ নাম দিয়ে৷ এই এসএফ১১ নামক অনলাইন নেটওয়ার্ক ব্যবসার আড়ালে যে কত বড় বাটপারি লুকিয়ে ছিল তা ক্রমান্বয়ে প্রকাশ্যে আসে৷ বর্তমানে ওই সংস্থার কোন হদিশ নেই৷ ত্রিপুরার বহু মানুষ এই সংস্থার সাথে যুক্ত হয়েছিল রুজি রোজগারের আকাঙ্খা নিয়ে৷

প্রতারিত হয়ে অবশেষে থানার দরজায় কড়া নাড়তে হচ্ছে তাদের৷ পূর্ব আগরতলা থানার পর মেলাঘর থানায় এসএফ১১ এর প্রতারকদের নামধাম জানিয়ে একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে৷ এফআইআর করেছেন মেলাঘরের বাসিন্দা রাজেশ পাল৷ তিনি থানায় দায়ের করা এফআইআরে সংস্থার কোন্ কোন্ কর্মকর্তা কিভাবে প্রতারণার জাল বিছিয়েছে তা সবিস্তারে উল্লেখ করেছেন৷

মেলাঘর থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করে দিয়েছে৷ থানা সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজেশ পালের সাথে আরও ছয়জন একই অভিযোগ করেছেন৷ এই ছয়জন হলেন, ধনপুরের ইন্দ্রজিৎ ঘোষ, নলছড়ের গৌরি দেবনাথ, তামসাবাড়ির মৌসুমি কর সাহা, মেলাঘরের গৌতম ভৌমিক, পোয়াংবাড়ির জয়ন্ত নমঃ এবং করাইয়াঢেপার টিটু সরকার৷

তাঁরা প্রত্যেকেই আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন এসএফ১১ এর প্রতারক চক্রের ফাঁদে পা দিয়ে৷ পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে৷ ক্ষতিগ্রস্তদের কাছ থেকে বহু তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে এবং পুলিশ আশাবাদি খুব শীঘ্রই জালে ধরা পড়বে প্রতারক চক্রের রাঘববোয়ালরা৷

You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

চ্যাট খুলুন
1
আমাদের হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠান
হেলো, 👋
natun.in আপনাকে কিভাবে সহায়তা করতে পারে?