অনলাইন ডেস্ক, ১৪ নভেম্বর।। একে করোনা সংক্রমণ, লকডাউনের জেরে বিপুল ক্ষতি হয়েছে দেশের অর্থনীতির। কর্মহীন হয়েছেন বহু মানুষ। কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদি সরকার যতই অর্থনীতির সুস্বাস্থ্যের আশ্বাস দিক ঘটনা হল, দেশের বিপুল সংখ্যক মানুষের হাতে এখন টাকা নেই খরচের মতো।
তার উপর রয়েছে মূল্যবৃদ্ধির প্রকোপ। আলু, পেঁয়াজ, ডিমের মতো খাদ্য দ্রব্যের দাম এখনও আকাশ ছোঁয়া। দুর্গাপুজোর মতো এবছর কালী পুজোতেও বাজার দর চড়া। কোনও লক্ষণই নেই তা নিয়ন্ত্রণে আসার। এরই মাঝে এই চড়া বাজার দর কবে নিয়ন্ত্রণে আসবে তা নিয়ে আশঙ্কা দেখা দিয়েছে কেন্দ্রের প্রকাশিত এক পরিসংখ্যানে।
সেখানে বলা হয়েছে, দেশে এখনো খুচরো পণ্যের মুদ্রাস্ফীতি চলছে। তা আগামী তিন মাস আরও বাড়তে পারে। ফলে মনে করা হচ্ছে আগামী তিন মাস বাজারের এই মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে আসা সম্ভব নয়। উল্লেখ্য, গত ছ’বছরের মধ্যে চলতি বছরের অক্টোবরেই খুচরো পণ্যের মুদ্রাস্ফীতি ছিল সবচেয়ে বেশি।
৭.৬১ শতাংশ। কেন্দ্রীয় সরকারের পরিসংখ্যানে আরও বলা হয়েছে অতিবৃষ্টির কারণে দেশে খাদ্যপণ্যে মূল্যবৃদ্ধি পৌঁছেছে ১১.০৭ শতাংশে। গত কয়েকমাস ধরেই দেশে খুচরো পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি আকাশ ছোঁয়া। এই মূল্যবৃদ্ধির ৪৬ শতাংশই হয়েছে আলু, পেঁয়াজ, ডিম, মাংস, টম্যাটোর মূল্য বৃদ্ধির কারণে।