অনলাইন ডেস্ক, ১৪ নভেম্বর।। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর প্রতিবছরই সীমান্ত এলাকায় মোতায়েন থাকা সেনা জওয়ানদের সঙ্গে দীপাবলি কাটান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। চলতি বছরেও তার ব্যতিক্রম হচ্ছে না। অনেকেই মনে করেছিলেন, করোনাজনিত কারণে প্রধানমন্ত্রী হয়তো এবার জওয়ানদের সঙ্গে দীপাবলি উৎসবে মাতবেন না। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর অফিস থেকে পরিষ্কার জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, এবার রাজস্থানের জয়সলমেরে সীমান্তে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানেই তিনি দীপাবলি উদযাপন করবেন।
প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর থেকে দেশের সেনাবাহিনীর সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তুলেছেন প্রধানমন্ত্রী। সেনাদের সব ধরনের বিপদে আপদে তাঁদের পাশে থাকার চেষ্টা করেন প্রধানমন্ত্রী। সেনাদের মনোবল বাড়াতে দিওয়ালিও তাদের সঙ্গেই উদযাপন করেন। দীপাবলি উৎসব উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী জওয়ানদের হাতে তুলে দেন মিষ্টির প্যাকেট। তাদের সঙ্গে ব্যক্তিগত আলাপচারিতায় মেতে ওঠেন।
প্রধানমন্ত্রী এর আগে জানিয়েছেন, গোটা দেশ যখন খুশির উৎসব পালন করছে তখন পরিবার থেকে অনেক দূরে সীমান্তে দেশের সুরক্ষার কাজ করে চলেছেন সেনা জওয়ানরা। জওয়ানদের সজাগ দৃষ্টির কারণেই দেশবাসী নিশ্চিন্তে রাতে ঘুমোতে যান। ঠান্ডায় যখন দেশের বেশিরভাগ মানুষ নিজেদের ঘরে কাঁথা-কম্বলের নিচে শুয়ে থাকেন তখন জওয়ানরা কনকনে ঠান্ডায় দেশরক্ষার কাজ করেন।
তাই তাঁদের মনোবল যাতে আরও বাড়ে এবং দেশ ও সরকার পাশে আছে এই বার্তা দিতেই তিনি জওয়ানদের সঙ্গে দীপাবলি পালন করেন। প্রধানমন্ত্রীকে নিজেদের মাঝে পেয়ে জওয়ানরাও বেশ চনমনে হয়ে ওঠেন। তাঁরাও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নির্ভয়ে মনের কথা বলেন। শনিবার দুপুরের দিকে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ বিমান জয়সালমীরে পৌঁছানোর কথা। ইতিমধ্যেই প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে তৈরি ভারতীয় সেনা।
সেনাবাহিনীর তিন বিভাগের শীর্ষ কর্তারাও ইতিমধ্যেই জয়সলমেরে পৌঁছে গিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী এদিনই দেশবাসীকে দীপাবলীর শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী টুইট করেছেন, প্রত্যেক দেশবাসীকে দীপাবলীর শুভ কামনা জানাই। এই উৎসব আরও খুশি আনন্দ নিয়ে আসুক এই কামনা করি। সবাই সুস্থ থাকুন, জীবনে শান্তি ও সমৃদ্ধি আসুক। শুক্রবার এক বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের জন্য সম্মান জানাতে প্রত্যেকে একটি করে প্রদীপ জ্বালান।