অনলাইন ডেস্ক, ১৪ নভেম্বর।। দীর্ঘদিনের আশা ছেলে হবে। কিন্তু বিয়ের পর বছর দশেক কেটে গেলেও এখনও ছেলে হল না। তাই শরণাপন্ন হয়েছিল এক ওঝার। সেই ওঝার পরামর্শ মেনেই ছয় বছরের মেয়েকে বলে দিলেন এক ব্যক্তি। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে ঝাড়খণ্ডের লোহারডগায়। জানা গিয়েছে ওই ব্যক্তির নাম সুমন। তিনি দিনমজুরের কাজ করেন।
বছর দশেক হল সুমনের বিয়ে হয়েছে। কিন্তু এখনও তার কোনও ছেলে হয়নি। তার একমাত্র মেয়ের বয়স বছর ছয়েক। যাতে ছেলে হয় সেজন্য সুমন এক ওঝার কাছে যায়। সেই ওঝা তাকে পরামর্শ দেয়, কন্যা সন্তানকে বলে দিলে হবে ছেলে। এরপরই সুমন ঠিক করে নেয়, সে মেয়েকে বলি দেবে। কয়েকদিন আগে সুমনের স্ত্রী তার বাপের বাড়িতে যান। আর এই সুযোগেই সুমন তার কাজ সারে। ঘটনার পর স্ত্রীর অভিযোগের ভিত্তিতে সুমনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পলাতক ওঝাকে ধরতে তল্লাশি চলছে।
উল্লেখ্য, দেশে বিজ্ঞানের প্রভূত অগ্রগতি হলেও আমরা যে আজও কুসংস্কার কাটিয়ে উঠতে পারেনি এ ঘটনা তারই প্রমাণ। আজকের দিনে ছেলে ও মেয়ের মধ্যে কোন ফারাক নেই। কিন্তু এটা অনেকেই বুঝতে চায় না। তাই তাদের একমাত্র ধ্যানজ্ঞান হল পুত্র সন্তান। পুত্র সন্তান পেতে গিয়ে নিজের একমাত্র কন্যাকে বলে দিল সুমন। উল্লেখ্য, এর আগে গত সপ্তাহে করোনা রুখতে এক ব্যক্তিকে বলি দেওয়া হয়েছিল ওড়িশার এক মন্দিরে।
জানা গিয়েছে, কটকের বুদ্ধ ব্রাহ্মণী দেবীর মন্দিরে সানসারি নামে এক ওঝা স্থানীয় যুবককে ধরে এনে বলি দিয়ে দেয়। দেবী রুষ্ট হয়েছেন তাই করোনার মত মারণ রোগ ছড়িয়ে পড়ছে। দেবতাকে তুষ্ট করতেই নরবলি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল সানসারি। পরে পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করে ওই ওঝা। সানসারির হাতে নিহত যুবকের নাম সরোজ কুমার।