অনলাইন ডেস্ক, ৫ নভেম্বর।।রাজধানী দিল্লির করোনা পরিস্থিতি নিয়ে বৃহস্পতিবার কেজরিওয়াল সরকারের কড়া সমালোচনা করল দিল্লি হাইকোর্ট। হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ এদিন জানায়, খুব শীঘ্রই দেশের করোনা রাজধানী হয়ে উঠতে চলেছে দিল্লি। করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কেজরিওয়াল সরকারের পরিকল্পনায় অনেক ফাঁক ফোকর থেকে গিয়েছে। দিল্লির মানুষের স্বাস্থ্য নিয়ে আদৌ চিন্তিত নয় সরকার।
এদিন বিচারপতি সুব্রমনিয়ম প্রসাদ এবং বিচারপতি হিমা কোহলির ডিভিশন বেঞ্চ সরকারের তীব্র নিন্দা করেন। দুই বিচারপতি বলেন, দিল্লিবাসীর স্বাস্থ্য নিয়ে কেজরি সরকারের আদৌ কোনও মাথাব্যথা নেই। সে কারণেই দিল্লিতে করোনার সংক্রমণ প্রতিদিন বেড়ে চলেছে। সংক্রমণ যেভাবে বাড়ছে তাতে শীঘ্রই দিল্লি হয়ে উঠবে করোনার রাজধানী। করোনা রুখতে দিল্লির আপ সরকার কী কী প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল এবং তারা কতটা পালন করেছে সেগুলিও বিচারপতিরা এদিন তুলে ধরেন।
বিচারপতিরা আরও জানান, আদালত এই বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়েই দেখছে। চিকিৎসক, প্যারামেডিকেল কর্মী, সাফাই কর্মচারী, শিক্ষক ও ইঞ্জিনিয়ারদের বেতন না দেওয়ার একটি মামলার শুনানি চলছিল দিল্লি হাইকোর্টে। সেই মামলাতেই এদিন কেজরি সরকারের বিরুদ্ধে এই মন্তব্য করে ডিভিশন বেঞ্চ। এদিনই মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল দিল্লিতে বাজি পোড়ানো নিষিদ্ধ করার কথা জানান। তিনি বলেন চলতি পরিস্থিতিতে বাজি পোড়ানো হলে করোনা আক্রান্তরা আরও সমস্যায় পড়বেন। বাজি পুড়লে যে বায়ু দূষণ হবে এটা না বললেও চলে।
বাজি পোড়ার ফলে বায়ুদূষণ হলে করোনা আক্রান্তদের সমস্যা দ্বিগুন হবে। তাই চলতি বছরে বাজি পোড়ানো বন্ধ থাকবে রাজধানীতে। কেউ এই নির্দেশ অমান্য করলে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিজ্ঞানীরা আগেই জানিয়েছেন, বাতাস দূষিত হয়ে পড়লে সেটা করোনা আক্রান্তদের পক্ষে আরও ভয়ঙ্কর হবে। তাই বাতাস যাতে কোনওভাবেই দূষিত না হয় সে বিষয়ে সরকারকে সতর্ক দৃষ্টি দিতে হবে।