স্টাফ রিপোর্টার, আগরতলা, ২৯ অক্টোবর।। ছোট্ট রাজ্য ত্রিপুরার জমির সঠিকভাবেই ম্যানেজমেন্ট এবং আধুনিকতম প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ভূমি সংক্রান্ত সমস্ত নথিপত্র এগুলোকে আরো সহজতর উপায়ে জমির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট জনগণকে সুবিধা প্রদান করতে একটার পর একটা প্রকল্প রূপায়ণ করে চলেছে রাজ্য রাজস্ব দপ্তর। ইতিমধ্যে রাজ্যে চালু করা হয়েছে ই-স্টাম্পিং ব্যবস্থা। যাতে করে জমি রেজিস্ট্রেশন এখন আরো সহজতর হয়েছে।একই সঙ্গে সরকার চাইছে রাজ্যের ভূমি সংক্রান্ত আইনের সংশোধনীর মাধ্যমে তাকে আরো সহজতর করা। ইতিমধ্যেই ১২ তম সংশোধনের কাজ শুরু হয়েছে। কিছুদিনের মধ্যেই তা শেষ হয়ে যাবে। জমি সংক্রান্ত ব্যাপারে সাধারণভাবে যারা জমির মালিক রয়েছে তারা অনেক তথ্যই জানতে পারছেন না। এতে করে অনেক বিভিন্ন রকমের অসুবিধা সম্মুখীন হচ্ছেন তারা। আগে পর্চা পেতে বহু কষ্ট করতে হত।
এখন এই হয়রানি বন্ধ হয়েছে। আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে এই কার্যক্রম চলছে। এই কমন সার্ভিস সেন্টার গুলি রাজধানী, জেলাসদর, মহকুমা সদর গুলিতে রাখলেই চলবে না তাকে রাজ্যের প্রতিটি প্রান্তে আরো ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে দিতে হবে। প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলোতে এই কমন সার্ভিস সেন্টার চালু করা হচ্ছে। ল্যান্ড ব্যাংকের জন্য এই পরিষেবা অত্যন্ত জরুরী।সরকারের কাছে জমি সংক্রান্ত বিষয়ে আরো সহজতর হবে ল্যান্ড ব্যাংকের মাধ্যমে। ভূমি অধিগ্রহণ করা যেতে পারে এই ল্যান্ড ব্যাংক থাকলে পরে। ল্যান্ড ভ্যালুয়েশন আপডেট করা হচ্ছে। জমির দাম ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্তমান ব্যবস্থার মাধ্যমে গত ৩০ বছরে জমির রেকর্ড এখন সহজেই পাওয়া যাবে।নামজারি ক্ষেত্রে এখন অসুবিধা হবে।
এই সমস্ত সমস্যার কথা বিবেচনা করে রাজ্য সরকার চাইছে জমি যখন হস্তান্তর হবে তখন যেন মিউটেশন একই রকমভাবে হয়ে যায়। বৃহস্পতিবার মহাকরণে একথা জানান রাজস্ব মন্ত্রী এনসি দেববর্মা। এদিন মহাকরণে কমন সার্ভিস সেন্টার থেকে নামজারির বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে সূচনা করেন মন্ত্রী এনসি দেববর্মা। এদিন একটি মৌ স্বাক্ষরিত হয় মন্ত্রী এনসি দেববর্মার উপস্থিতিতে। রাজ্যে মোট কমন সার্ভিস সেন্টারের সংখ্যা ১০৯৭ টি। উপস্থিত ছিলেন রাজস্ব দপ্তর আধিকারিক সহ অন্যান্যরা।