এই বছর পশ্চিম জেলায় ৫৮৫ টি অনুমতি দেওয়া হয়েছে পুজোর জন্য

স্টাফ রিপোর্টার, আগরতলা, ২১ অক্টোবর।। করোনার পরিস্থিতিতে এ বছরের দূর্গা পূজাতে বেশ কিছু নির্দেশিকা জারি করেছে রাজ্য সরকার। সমস্ত বারোয়ারি ও ক্লাবের পুজোতে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে অনুমতি লাগবে। এই বছর পশ্চিম ত্রিপুরা জেলায় ৫৮৫ টি অনুমতি দেওয়া হয়েছে পুজোর জন্য। অন্যদিকে ১৭৪ টি বারোয়ারি পুজোর অনুমতি প্রদান করেছে জেলা প্রশাসন। এর মধ্যে সদর মহকুমা রয়েছে ৩৫৪ টি পুজো। গত বছর এই সংখ্যাটা ছিল ৫১৪ টি।১৬০ টির মতো পূজা এ বছর কমে গেছে। জিরানিয়া মহকুমায় অনুমতি দেওয়া হয়েছে ৮৭ টি পুজোর। মোহনপুর মহাকুমায় দেওয়া হয়েছে ১৪২ অনুমোদন। অনুমতি পত্রের জন্য আবেদন পত্র দেওয়া হয়েছিল।

সমস্ত নির্দেশিকা মেনে এই পুজো করতে হবে বলে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে উদ্যোক্তাদের। অতি মারে কারনে কি ধরনের ব্যবস্থা নিতে হবে তাও অবগত করা হয়েছে। কোন ধরনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে এ বছর করা যাবে না। মন্ডপ খোলা থাকতে হবে। প্রতিমার উচ্চতা ১০ ফুটের বেশি হতে পারবে না। মন্ডপের বাইরে দর্শনার্থীদের জন্য ছয় ফুট দূরত্বে মার্কিং করতে হবে পুজো উদ্যোক্তাদের। পর্যাপ্ত পরিমাণে স্বেচ্ছাসেবক রাখতে হবে।৫ থেকে ১০ জনের বেশি দর্শনার্থী মন্ডপের বাইরে গ্রাহ্য করা হবে না। সিঁদুর খেলাতেও ছোট ছোট গ্রুপ করে করতে হবে। সংঘবদ্ধভাবে কোন ধরনের প্রসাদ বিতরণ করা যাবে না।এক সাক্ষাৎকারে এ বিষয়ে জানান পশ্চিম জেলার জেলাশাসক শৈলেশ কুমার যাদব। বড় পূজা গুলিতে কোভিড টেস্টিং সেন্টার স্থাপন করা হবে। কোন ধরনের উপসর্গ পেলে সেই ব্যক্তিকে কোভিড পরীক্ষা করা হবে।

বিনা মাক্সে কোন মন্ডপে প্রবেশ করতে যেতে না দেওয়া হয় তার জন্য পুজো উদ্যোক্তাদের একটি সাইনবোর্ড লাগাতে বলা হয়েছে। ৩০ জনের বেশি বিসর্জনের শোভাযাত্রা অংশ নিতে পারবে না। দূরবর্তী স্থানে বিসর্জন না করে স্থানীয় কিছু জায়গায় বিসর্জন করার জন্য বলা হয়েছে। বিসর্জনের সময় সীমা ও স্থানীয় পুলিশের সঙ্গে কথা বলে নির্ধারণ করে দেওয়া হবে। রাত্রি দশটার আগে প্রতিমা নিরঞ্জন সম্পন্ন করতে হবে। প্রশাসন থেকে দুটি নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। একটি ৪ সেপ্টেম্বর ও একটি ৯ অক্টোবর জারি করেছে মুখ্য সচিব। বিনা কারণে বাড়ি থেকে না বের হওয়ার জন্য সকলের কাছে আহ্বান জানান পশ্চিম জেলার জেলাশাসক শৈলেশ কুমার যাদব। কোনভাবেই যাতে করোনা সংক্রমণ না বাড়তে পারে সেদিকে সকলের প্রতি বিশেষ নজর দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। প্রশাসনে এ ধরনের সিদ্ধান্ত মূল কারণ হলো লকডাউন শেষ হয়ে গেছে বলেই যে করোনা ভাইরাস শেষ হয়ে গেছে সে ধারণা ভুল। অর্থাৎ সকলকে সর্তকতা অবলম্বন করে পূজা উপভোগ করতে হবে।

You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

চ্যাট খুলুন
1
আমাদের হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠান
হেলো, 👋
natun.in আপনাকে কিভাবে সহায়তা করতে পারে?