স্টাফ রিপোর্টার, আগরতলা, ১৮ অক্টোবর।। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যুব সমাজকে স্বনির্ভর করার জন্য নতুন নতুন প্রকল্প হাতে নিয়েছেন৷ এরফলে আমাদের যুব সমাজের ভবিষ্যৎ যেমন উজ্জল হবে তেমনি আমাদের দেশ আত্মনির্ভর হবে৷ রাজ্য সরকার প্রধানমন্ত্রীর পথ ধরেই এগিয়ে চলেছে৷ মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব আজ সকালে কের চৌমুহনিতে ব্লাড মাউথ ক্লাব ও কের চৌমুহনি পূজা কমিটির যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত স্বেচ্ছা রক্তদান শিবিরে প্রধান অতিথির ভাষণে একথা বলেন৷ রক্তদান শিবিরের উদ্বোধন করে মুখ্যমন্ত্রী শ্রীদেব বলেন, স্বেচ্ছায় রক্তদান রাজ্যের একটি ঐতিহ্য৷
স্বতঃস্ফূর্তভাবে রক্তদান রাজ্যে অনেকদিন ধরেই চলে আসছে৷ বর্তমানে শুধু আমাদের রাজ্যই নয়, সমগ্র বিশ্বেই করোনা অতিমারির জন্য একটা সংকট চলছে৷ এর থেকে পরিত্রাণের প্রধান উপায় হলো মাস্ক ব্যবহার করা, সামাজিক দূরত্ব মেনে চলা ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকা৷ তিনি বলেন, রাজ্য সরকার এই সংকট মোকাবিলায় বিভিন্ন ক্লাব ও সামাজিক সংস্থার কাছে যে আবেদন করেছিলো তা বাস্তবায়িত করতে ক্লাব ও সামাজিক সংস্থাগুলি এগিয়ে এসেছে৷ আজ ব্লাড মাউথ ক্লাবে স্বেচ্ছা রক্তদান ছাড়াও করোনা রোগীদের বিনামূল্যে অক্সিজেন সিলিণ্ডার সরবরাহ, ৬৫ বছরের প্রবীণদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা, খেলাধূলার প্রসার সহ যেসব ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে তা রাজ্যের অন্য ক্লাবগুলির মধ্যে প্রেরণা যোগাবে৷ অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রাজ্যে অ্যান্টিবডি টেস্ট শুরু হয়েছে৷
কেননা এক সময় কেরালায় করোনার প্রকোপ কমলেও সেখানকার পোঙ্গল উৎসবের পর বড় মাত্রায় মানুষ করোনায় আক্রান্ত হন৷ তাই অ্যান্টিবডি টেস্টের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার৷ আসন্ন দুর্গাপূজায় আমাদেরকেও কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের সমস্ত নির্দেশিকা মেনে চলতে হবে৷ তবেই রাজ্যবাসী নিরাপদ থাকবেন৷ মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এক সময় রাজ্যে করোনা রোগীর সুুস্থতার হার ছিলো ৬০ শতাংশ৷ এখন সুুস্থতার হার ৮৯ শতাংশ৷ আমরা হোম আইসোলেশনের রোগীদের জন্য অিক্সিমিটারের ব্যবস্থা করেছি৷ রাজ্য সরকার কেন্দ্রীয় সরকারের সহযোগিতায় রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবাকে ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নিয়েছে৷ সরকার রাজ্যের প্রতিটি ক্ষেত্রেই সদর্থক মানসিকতা নিয়ে কাজ করছে৷
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশকে এক নতুন দিশায় নিয়ে যেতে চাইছেন৷ আমাদের রাজ্যকেও আত্মনির্ভর রাজ্য হিসেবে গড়ে তোলার প্রয়াস নিয়েছে সরকার৷ সাবমে গড়ে উঠছে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল ও সুুসংহত স্থলবন্দর৷ ফেণী নদীর উপর মৈত্রী সেতুর কাজ সম্পন্ন হলে সাবমের সাথে চ-গ্রাম বন্দরের যোগাযোগ গড়ে উঠবে৷ এরফলে ত্রিপুরা শুধু উত্তর-পূর্বা’লের নয়, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ারও প্রবেশদ্বার হয়ে উঠবে৷ এতে কর্মসংস্থানের সুুযোগ যেমন সৃষ্টি হবে তেমনি রোজগারও বাড়বেে।
[contact-form][contact-field label=”Name” type=”name” required=”true” /][contact-field label=”Email” type=”email” required=”true” /][contact-field label=”Website” type=”url” /][contact-field label=”Message” type=”textarea” /][/contact-form]
অনুষ্ঠানে এছাড়া বক্তব্য রাখেন ব্লাড মাউথ ক্লাবের সভাপতি বিমল রায় চৌধুরী, ব্লাড মাউথ ক্লাব ও কের চৌমুহনি পূজা কমিটির সাধারণ সম্পাদক দেবাশিস ভ-াচার্য ও বিশিষ্ট সমাজসেবী শিপ্রা দেব৷ শিবিরে ২৭ জন স্বেচ্ছায় রক্তদান করেন৷