স্টাফ রিপোর্টের, বিলোনিয়া, ১২ অক্টোবর।। লকডাউনের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতেই বন্ধনের কিস্তির জন্য চাপ সৃষ্টি করছে বলে গ্ৰাহকদের কাছ থেকে অভিযোগ উঠছে বিলোনিয়া বন্ধন কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে । পাশাপাশি করোনা মোকাবিলায় লকডাউন পরিস্থিতির সময় তিন মাসের বন্ধনের কিস্তি সহ বাড়তি সুদ দিতে হবে বলেও বন্ধন গ্ৰুপকে জানিয়ে দেওয়া হয় ।
এই কথা জিজ্ঞেস করার পর বন্ধন কর্তৃপক্ষ দ্বিচারিতার কথা বলছে । একবার বলছে কিস্তির অতিরিক্ত সুদ দিতে হবে , আরেক বার বলছে ইন্সুরেন্সের জন্য টাকা দিতে হবে । এই দ্বিচারিতার কথা বন্ধন কর্তৃপক্ষ গ্ৰাহকদের বলছে ।লকডাউনের পরিস্থিতিতে কাজকর্ম না থাকার ফলে অর্থনৈতিক সংকটের মুখে পড়ে নাজেহাল অনেকেই। অন্যদিকে বন্ধনের কিস্তি পরিশোধ করার জন্য চাপ দেওয়ার ফলে গ্ৰাহকদের হিমসিম অবস্থা । বিলোনিয়া সাতমূড়া এলাকায় কাবেরী গ্ৰুপের সদস্যা মনিকা রানি সরকার ।
একবছর আগে বন্ধন ব্যাঙ্ক থেকে ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা ঋন নেন । ৫২ কিস্তিতে লোন পরিশোধ করতে হবে । সপ্তাহে কিস্তি আসে ২ হাজার ৫শ ২৫ টাকা । যথারীতি ৪৯ কিস্তি পরিশোধ করা হয় । মাঝে লকডাউন পরিস্থিতিতে যে তিন মাস বন্ধ ছিল সেই তিন মাসের কিস্তির টাকার বাড়তি সুদ দেওয়ার জন্যও চাপ সৃষ্টি করছে বলে অভিযোগ । মনিকা রানি সরকারের স্বামী রঞ্জিত দাস , এনিয়ে বিলোনিয়া আর্য্যকলোনি স্থিত বন্ধন ব্যাঙ্কের ম্যানেজারের সাথে কথা বলতে যাওয়ার পর ম্যানেজার কোন সৌজন্যতা বোধ না দেখিয়ে গ্ৰাহক মনিকা রানি সরকারের স্বামী রঞ্জিত দাসকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে ব্যাঙ্ক থেকে বের হয়ে যাওয়ার জন্য নির্দেশ দেয় বলে অভিযোগ ।
এই অবস্থায় বিপাকে পড়েছেন তারা। কিস্তির জন্য চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে কেন এবিষয়ে কাবেরী গ্ৰুপের বন্ধন মাষ্টারের কাছে জানতে চাওয়া হলে কোন কথা বলতে নারাজ তিনি।