হোম আইসোলেশনে থাকা রোগীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা চলছে

স্টাফ রিপোর্টার, আগরতলা, ৮ অক্টোবর।। পশ্চিম ত্রিপুরা জেলায় করোনা সংক্রমনের হার কমেছে। বেশিরভাগ প্রবণতা মাইন্ড, মডারেট, এবং এ সিমটমেটিক। তাদের হোম আইসোলেশন এ রাখা হচ্ছে। হোম আইসোলেশনে থাকা রোগীদের প্রতিদিন একবার করে স্বাস্থ্যকর্মীরা ফোন করেন। এর মধ্যে যাদের অন্যান্য রোগে আক্রান্ত এবং বয়স বেশি তাদের দিনে ২ বার ফোন করা হয়। আগরতলায় ছটি আরবান প্রাইমারি হেলথ সেন্টার রয়েছে। এই সমস্ত হেল্প সেন্টার গুলিতে মোবাইল টিম তৈরি করা রয়েছে। তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে হোম আইসোলেশন এ থাকা রোগীরা কোন সমস্যা হলে ফোন করলেই দ্রুত সেখানে যাওয়ার জন্য। রোগীর অক্সিজেন লেভেল, ব্লাড সুগার, ব্লাড প্রেসার মাপা হয়। একই সঙ্গে দেওয়া হয় ঔষধ।

বিগত কুড়ি দিন যাবত এই ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। মানসিক কারণে অনেকেই হাসপাতাল মুখি হতে চাইছেন না। কিন্তু তাদের ক্ষেত্রে যাতে বিলম্ব না হয় তার জন্যই এই ব্যবস্থাপনা রাখা হয়েছে। এই বিষয়ে জানান পশ্চিম জেলার জেলাশাসক ডাক্তার শৈলেশ কুমার যাদব। করোনা আক্রান্ত রোগীদের বাড়িতে এই স্বাস্থ্যকর্মীরা ঘুরে দেখছেন। করোনা আক্রান্ত হবার পর দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে তারা প্রথমবার বাড়িতে যান। এরপর সাতদিন পর আরও একবার যায় স্বাস্থ্যকর্মীরা। এই নির্দেশ জারি করা হয়েছে। অনেক স্বাস্থ্যকর্মী করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের মধ্যে অনেকেই আবার সুস্থ হয়ে ফিরে এসেছেন। তাদেরই মূলত এই কাজে লাগানো হচ্ছে। এই মতো কাজ ভালো হচ্ছে বলে জানান পশ্চিম জেলার জেলাশাসক।

একই বিষয় পরিলক্ষিত হয় বৃহস্পতিবার শহরের বিভিন্ন স্থানে। স্বাস্থ্যকর্মীরা নিয়ম মেনে হোম আইসোলেশন এ থাকা রোগীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেন। স্বাস্থ্য দপ্তরের এই পরিষেবা পেয়ে খুশি হোম আইসোলেশনে থাকা করোনা আক্রান্ত ব্যক্তিরা। স্বাস্থ্য কর্মীরাও তাদের পরিষেবা প্রদান অব্যাহত রেখেছেন।

You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

চ্যাট খুলুন
1
আমাদের হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠান
হেলো, 👋
natun.in আপনাকে কিভাবে সহায়তা করতে পারে?