অনলাইন ডেস্ক, ৩ অক্টোবর।। বৃহস্পতিবার তিনি চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু পুলিশ তাঁকে সফল হতে দেয়নি। শনিবার ফের উত্তরপ্রদেশের হাথরাসে নিগৃহীতা তরুণীর বাড়ি যাচ্ছেন রাহুল। শনিবার সকালে প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতি টুইট করে জানিয়েছেন, আমি আজ হাথরাসে যাবই। পৃথিবীর কোনও শক্তি নেই আমাকে আটকাবে।
দেখি যোগী আদিত্যনাথ সরকারের পুলিশের কত ক্ষমতা আমায় আটকায়। রাহুল যেমন সরকারকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন, তেমনই তাঁকে আটকাতে তৈরি উত্তেরপ্রদেশ পুলিশ। সূত্রের খবর, রাহুলকে কোনভাবেই যেতে দেওয়া হবে না।
তিনি যাতে ঢুকতে না পারেন, তার জন্য পুলিশ সব ধরনের ব্যবস্থা নিচ্ছে। বরং এবার আরও একধাপ এগিয়ে দিল্লির সীমানা অতিক্রম করে উত্তরপ্রদেশের সীমানার মধ্যে ঢুকলেই রাহুলের গাড়ি আটকে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
এদিন রাহুলের সঙ্গে প্রিয়াঙ্কা গান্ধীও হাথরাসে যেতে পারেন বলে খবর। বৃহস্পতিবার রাহুল গান্ধী হাথরাসে যাওয়ার চেষ্টা করলে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ তাঁর পথ আটকায়। এমনকি পুলিশ রাহুলকে ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দেয় বলে অভিযোগ।
ইতিমধ্যেই হাথরাসের এই ঘটনা নিয়ে দেশজুড়ে তুমুল আলোড়ন তৈরি হয়েছে। যোগী আদিত্যনাথ সরকারকে আক্রমণ করার একটা বড় অস্ত্র পেয়ে গিয়েছে কংগ্রেস ও সহ রাজ্যের প্রধান দুই বিরোধী দল সমাজবাদী পার্টি ও বহুজন সমাজ পার্টি। ২০২২ উত্তরপ্রদেশ বিধানসভার নির্বাচন।
নির্বাচনের আগে উত্তরপ্রদেশের রাজনীতির রাশ যাতে সমাজবাদী পার্টি বা বহুজন সমাজ পার্টির মত আঞ্চলিক দলের হাতে চলে না যায় তাই জন্যই রাহুল এত সক্রিয় বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। শুধু রাহুল নন, উত্তরপ্রদেশের দায়িত্বে থাকা প্রিয়াঙ্কাও নির্বাচনের কথা মাথায় রেখেই সক্রিয় হয়ে উঠেছেন।
অন্যদিকে হাথরাসের ঘটনা নিয়ে বিজেপি নেত্রী উমা ভারতীও যোগী সরকারের নিন্দা করেছেন। উমা পরিষ্কার বলেছেন উত্তরপ্রদেশ সরকারের পুলিশের ভূমিকায় যোগী সরকার ও বিজেপির গায়ে কালি লেগেছে। যে পুলিশ কর্মীদের জন্য সরকারের মুখ পুড়ল তাদের বিরুদ্ধে কড়া আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হোক।