স্টাফ রিপোর্টার, আগরতলা, ৩০ সেপ্টেম্বর।। এলাকার বিধায়ককে ছাড়াই ঢাকঢোল পিটিয়ে বুধবার অনুষ্ঠিত হলো ৬ আগরতলা মন্ডলের কার্য্যকারিনী বৈঠক। এদিন বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয় ইন্দ্রনগর স্থানীয় এক বিয়ে বাড়িতে। ৬ আগরতলা বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মন। কিন্তু এদিন বিধায়ক শ্রী বর্মনকে এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে উপস্থিত থাকার জন্য কোন আমন্ত্রনই করা হয়নি বলে বিশ্বস্ত সূত্রে খবর। কিন্তু বৈঠকে উপস্থিত প্রদেশ বিজেপি সভাপতি ডাঃ মানিক সাহা কার্যকর্তাদের আদর্শবান হওয়ার উপদেশ দিলেন।
কিন্তু তখন তিনি হয়তো ভুলেই গিয়েছিলেন বৈঠকে মঞ্চে উপস্থিত নেই স্থানীয় বিধায়ক শ্রী বর্মন। আর বিধায়ক শ্রী বর্মন কেন নেই তা হয়তো প্রদেশ সভাপতি শ্রী সাহার অজানার কিছু নয়। তবে বিষয়টি নিয়ে তখন একাংশ কার্যকর্তাদের মধ্যে হাসির কৌতূহল সৃষ্টি হয়। আর ৬ আগরতলা বিধানসভা কেন্দ্রে বিধায়ককে বিনা আমন্ত্রণে দলীয় কর্মসূচি করার ঘটনা গোটা দেশে নজিরবিহীন হলেও রাজ্যের এই বিধানসভা কেন্দ্রে বিরল বললে ভুল হবে।
কারণ পূর্বেও আগরতলা বিধানসভা কেন্দ্রে দলীয় একাংশ মহলের সুড়সুড়িতে এই ধরনের দলীয় কর্মসূচি একাধিকবার হয়েছে। যা অভিজ্ঞমহল ভালো চোখে দেখছেন না। প্রদেশ বিজেপি সভাপতি ডাঃ মানিক সাহা আরো বক্তব্য রেখে বলেন কার্য্যকারিনী বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য হলো বিগত কার্য্যকারিনী বৈঠকে যেসব ত্রুটি উঠে এসেছিল, সেইসব সমস্যা এলাকাবাসী স্বার্থে সমাধান হয়েছে কিনা। সেই বক্তব্য শুনে কার্যকর্তাদের মধ্যে সৃষ্টি হয় গোপন হাসির রোল। কারণ এলাকার অভিভাবক ছাড়া যে বৈঠক অসম্পন্ন সেটা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।
এতে হাসির রোল সৃষ্টি হয় বৈঠকে বসে থাকে কিছুসংখ্যক কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে। প্রদেশ সভাপতি আরো বলেন, বর্তমান কেন্দ্রীয় সরকার সংসদে বিল পাশ করার পর বিরোধীদের দ্বারা হট্টগোল সৃষ্টি হয়েছে গোটা দেশে, তার ঠিক নয়। অথাৎ ঘোলা জলে মাছ ধরার বিরোধীদের কাজ। ভারতীয় জনতা পার্টি পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায়ের আদর্শ নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে বলে জানান তিনি। এইদিন বৈঠকে এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সদর জেলার জেলা সভাপতি অলক ভট্টাচার্যী, মন্ডল সভাপতি কুন্তল সরকার সহ অন্যান্যরা।