স্টাফ রিপোর্টার, আগরতলা, ২৯ সেপ্টেম্বর।।রাজধানী আগরতলা শহর সংলগ্ন প্রতাপগড় শীলটিলা এলাকায় মঙ্গলবার এক গৃহবধূ বাপের বাড়িতে বেড়াতে এসে ফাঁসিতে আত্মহত্যা করেছে। আত্মঘাতী গৃহবধূ নাম ভারতে শীল। স্বামীর নাম সুকান্ত মজুমদার। তাদের একটি শিশু সন্তান রয়েছে। আত্মঘাতী গৃহবধূর স্বামীর বাড়ি রানির বাজার থানা এলাকার দুর্গানগর।জানা গেছে প্রায় 100 বছর আগে সামাজিক প্রতায় প্রতাপগড় এর শিলশিলা এলাকার ভারতের বিয়ে হয় গানের বাজারের দুর্গানগর এলাকার সুকান্ত মজুমদার এর সঙ্গে। বিয়ের পর থেকে তাদের দাম্পত্য জীবন সুখে স্বাচ্ছন্দে চলছিল।
গতকাল ভারত ইন্সিদের বৌদি রানীরবজার দুর্গানগর এ তাদের বাড়িতে গিয়ে ভারতীকে তাদের বাড়িতে নিয়ে আসেন।রাতে ভাই বৌদির সহ অন্যান্যদের সঙ্গে একই সঙ্গে খাওয়া-দাওয়া করে ভারতী শীল।মঙ্গলবার সকালে ঘুম থেকে উঠে পরিবারের লোকজন তারা লক্ষ্য করেন ঘরের বারান্দায় ভারতের মৃতদেহ ফাঁসিতে ঝুলছে। সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় স্থানীয় থানায়। খবর পাঠানো হয় রাণীরবাজার দুর্গানগর স্থিত তার স্বামীর বাড়িতে।খবর পেয়ে স্বামীসহ পরিবারের লোকজন ছুটে আসেন প্রতাপগড় শিল টিলায়।পুলিশ ছুটে আসে সেখান থেকে ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। কেন এই আত্মহত্যার ঘটনা তা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।গৃহবধূর স্বামী সুকান্ত মজুমদার জানান তার সঙ্গে তার স্ত্রীর তেমন কোনো ঝগড়া ঝাটি ছিলনা।
বাপের বাড়িতে আসার জন্য তাকে বললে সে বাপের বাড়িতে যাওয়ার জন্য অনুমতি দিয়েছে। এমনকি বৃহস্পতিবার সকালে শ্বশুর বাড়িতে এসে তার স্ত্রী ভারতীকে বাড়িতে ফিরিয়ে নিয়ে যাবে বলে বলেছিল। এরইমধ্যে বাপের বাড়িতে বেড়াতে এসে স্ত্রীর আত্মহত্যা করা রীতিমতো হতবাক স্বামী সুকান্ত।আত্মঘাতী ভারতে শীলের ভাই জানান কেন সে আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছে সে সম্পর্কে তারা কিছুই জানেন না। রাতে ভাই সহ অন্যান্যদের সঙ্গে একই সঙ্গে খাওয়া-দাওয়া করে এসে ঘুমোতে গিয়েছিল বলে তারা জানায়। এই আত্মহত্যার ঘটনাকে কেন্দ্র করে কৌতুহলের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ প্রাথমিকভাবে অস্বাভাবিক মৃত্যু জনিত মামলা গ্রহণ করে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।