স্টাফ রিপোর্টার, আগরতলা, ১৮ সেপ্টেম্বর।। সিধাই থানার পুলিশ এবং হেজামারা ক্যাম্পের ১২৪ নম্বর ব্যাটালিয়নের সিআরপিএফ জওয়ানরা যৌথ অভিযান চালিয়ে পাঁচটি গাজাবাগান ধ্বংস করে দিয়েছে। ঘটনার বিবরণে জানা যায় সিধাই থানার পুলিশ এবং সিআরপিএফ জওয়ানরা মহকুমা পুলিশ আধিকারিক নেতৃত্বে মোহনপুরের ঈশানপুর এবং উরাবাড়ি এলাকায় বিরোধী অভিযানে যায়।গাজা বিরোধী অভিযান চালিয়ে পাঁচটি গাজা বাগান ধ্বংস করতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ ও সিআরপিএফ জওয়ানরা।মোট কুড়ি হাজারের বেশি গাজার ছাড়া ধ্বংস করা সম্ভব হয়েছে বলে জানা গেছে।মহকুমা পুলিশ আধিকারিক কমল বিকাশ মজুমদার জানিয়েছেন তার কাছে সুনির্দিষ্ট খবর ছিল মোহনপুরের উড়াবাড়ি এবং ঈশানপুর এলাকায় অবৈধভাবে গাঁজার বাগান গড়ে উঠছে।গাঁজা চাষ নিষিদ্ধ করা সত্ত্বেও একাংশের অতি মুনাফালোভী লোকজন আইন-কানুনের তোয়াক্কা না করে গাঁজা চাষে মনোযোগী হয়। সে কারণেই অবৈধ গাঁজা চাষ বন্ধ করার জন্য পুলিশ এবং সিআরপিএফ যৌথ তল্লাশি অভিযানে নামে। অভিযানে নেমে যথারীতি বড় ধরনের সাফল্য মিলেছে।
এ ধরনের গাঁজা চাষ বিরোধী অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে বলে মহাকুমা পুলিশ আধিকারিক জানিয়েছেন। তিনি আরো জানান সিঁথি থানা এলাকার বিভিন্ন এলাকায় গাঁজা চাষ হচ্ছে বলে পুলিশের কাছে খবর আসছে।
সেই খবরের ভিত্তিতে পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনী বিভিন্ন থানা এলাকায় গাজা বিরোধী অভিযান আরও জোরদার করবে বলে জানিয়েছেন মহকুমা পুলিশ আধিকারিক। গাঁজা চাষ পুরোপুরি বন্ধ করার লক্ষ্যেই এ ধরনের অভিযান চালানো হচ্ছে বলে তিনি জানিয়েছেন।সরকারি নির্দেশ অমান্য করে যাঁরা এখনো গাঁজা চাষের যুক্ত রয়েছে তাদেরকে গাঁজা চাষ থেকে দূরে সরে আসতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে আহ্বান জানানো হয়েছে।
অন্যথায় প্রশাসনের তরফে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে স্পষ্ট ভাবে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।উল্লেখ্য ত্রিপুরার বিভিন্ন এলাকায় উৎপাদিত গাজা বাংলাদেশ সহ দেশের বিভিন্ন রাজ্যে প্রতিনিয়ত পাচার হচ্ছে। বর্তমান সরকার গাঁজা চাষ পুরোপুরি বন্ধ করার নির্দেশ জারি করেছে।
এ ধরনের নেশাজাতীয় সামগ্রী কোনোভাবেই বিক্রি করা যাবে না বলেও জানানো হয়।গাঁজা চাষ এবং গাঁজা পাচার এর বিরুদ্ধে কঠোর মনোভাব গ্রহণ করার জন্য পুলিশ এবং নিরাপত্তা বাহিনীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সে অনুযায়ী পুলিশ এবং নিরাপত্তা বাহিনীর তৎপরতা জোরদার করেছে।