স্টাফ রিপোর্টার, আগরতলা, ৭ সেপ্টেম্বর ।।গত ৪ সেপ্টেম্বর যোগেন্দ্রনগর রেল ষ্টেশন সংলগ্ন এলাকায় এক বাড়িতে কিছু দুস্কৃতী মিলে হামলা চালায়। পরবর্তী সময় এই ঘটনা জানিয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে কলেজটিলা ফাঁড়িতে মামলা করতে যায়। অভিযোগ পুলিশ মামলা নিয়ে গড়িমশি করতে শুরু করে। পরবর্তী সময় পুলিশ মামলা নেয়। তাদের অভিযোগ এখনো পুলিশ তাদের আটক করেনি।
এদিকে দুষ্কৃতীরা ক্রমাগত তাদের হুমকী দিচ্ছে প্রানে মারার। বারির মালিক জানান গৌরদাস মোদক আজ থেকে তিন বছর আগে তাদের বাড়িতে একজন ভাড়াটিয়া আসে। তাদের সঙ্গে কিছু দিন বাদে কিছু ছেলে থাকতে শুরু করে। বারির লোকেদের সন্দেহ হওয়ায় তাদের জিজ্ঞাসাকরা হয় এই বহিঃরাগতরা কারা। সেই ভাড়াটিয়া নিজের আত্মিয় হিসাবে পরিচয় দেয়। কিন্তু দিনে দিনে বারির মালিক জানতে পারে এরা প্রত্যেকেই চুরির ঘটনার সঙ্গে জড়িত। বিভিন্ন স্থান থেকে চুরি করে সামগ্রী এনে তাদের বাড়িতে রাখত। পুলিশ একাধিক বার তাদের বাড়িতে এসে গেছে। এরপর বারির মালিক ভারাটিয়াকে বাড়ি ছাড়ার জন্য বলে। অভিযোগ পুলিশ তদন্তের জন্য গেলে সেই ভারাটিয়ারা পুলীশের সঙ্গে দুরব্যবহার করে। বাড়ি ছাড়তে নারাজ ছিল ভাড়াটিয়া। শেষ পর্যন্ত বাড়ি ছাড়ে ভাড়াটিয়া।
যাবার আগে বাড়ি থেকে একটি মোবাইল চুরি করে বলে অভিযোগ। মোবাইল চুরি কান্ড প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই শুরু হয় ঝামেলা। টাকা দিয়ে এই মোবাইল আনেন বারির মালিক। গত ৪ সেপ্টেম্বর তিনটি ছেলে বারির সামনে রাখা গাড়ি থেকে সামগ্রী চুরি করতে যায়। বারির মালিকের মেয়ের জামাই বিষয়টি দেখে তাদের পেছনে ধাওয়া করে। একজনকে আটক করার চেষ্টা করলে হাতফসকে পালিয়ে যায়। তবে তাকে চড় দেয়। এই নিয়েই আবার শুরু হয় ঝামেলা। অভিযোগ মলয়নগর নিবাসী এক ব্যক্তির নেতৃত্বে তাদের বাড়িতে আক্রমণ চালানো হয়।
বারির সদস্যদের ব্যপক মারধোর করা হয়। আক্রান্ত হয় বারির মালিক গৌরদাস মোদক, তার স্ত্রী, মেয়ে মিতালী মোদক, মেয়ের জামাই সমীরণ দাস। মেয়ে মিতালীর মাথায় আঘাত লাগে। অন্যদিকে দুস্কৃতীদের অস্ত্রের আঘাতে আহত হয় মেয়ের জামাই সমীরণ দাস। একই ভাবে আহত হয় গৌড়দাস মোদক ও তার স্ত্রী। এই ঘটনায় আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে পরিবারটি। তবে এই ঘটনায় স্থানীয় বিধায়ক তাদের বাড়িতে যান। কথা বলেন পুলীশের সঙ্গে। কিন্তু তার পরেও পুলীশের সঠিক কোন ভুমিকা না থাকায় ক্ষোভ ও আতঙ্কে রয়েছে পরিবারটি।