স্টাফ রিপোর্টার, আগরতলা, ৫ সেপ্টেম্বর।।৫ সেপ্টেম্বর স্বাধীন ভারতের প্রথম উপরাষ্ট্রপতি এবং দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতি তথা শিক্ষাবিদ ডঃ সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণণ এর জন্মদিন। এই দিনটি প্রতি বছর সমগ্র দেশে শিক্ষক দিবস হিসাবে উদযাপিত হয়ে আসছে। এই দিনটিকে মনে রেখে সমগ্র দেশের সঙ্গে ত্রিপুরাতেও পালিত হবে ৫৯ তম শিক্ষক দিবস। শ্রদ্ধা ও সম্মাননা জানানো হবে কৃতি ও নিষ্ঠাবান শিক্ষক শিক্ষিকাদের।
শ্রদ্ধা জানানো হবে শিক্ষকতার মতো মহান কাজটিকে। যদিও এই বছর দেশের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রনব মুখার্জির প্রয়াণে ৭ দিন ব্যাপী সমগ্র দেশে শোক পালিত হচ্ছে। আর এই কারনে রাজ্যে শিক্ষক দিবসের কর্মসূচী নির্দিষ্ট দিনে পালন করা সম্ভব হচ্ছে না। কিন্তু রাষ্ট্রীয় শোক শেষ হলে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হবে শিক্ষক দিবসের সকল কর্মসূচী। ৫৯ তম শিক্ষক দিবসে এই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন শিক্ষা মন্ত্রী রতন লাল নাথ। তিনি জানান শিক্ষক দিবসের দিনে তিনি দেশের সকল শিক্ষক শিক্ষিকাদের প্রতি শ্রদ্ধা ও সম্মান প্রদর্শন করছেন। এক জন মা শিশুর জন্ম দেন।
কিন্তু একজন শিক্ষক একটা শিশুর মধ্যে প্রানের সঞ্চার করেন বলে বলা হয়ে থাকে। একজন প্রকৃত শিক্ষক হলেন মোমবাতির মতো। যে নিজেকে নিঃস্বেষ করে দেন আগামি প্রজন্মের জীবনকে আলকিত করার জন্য। যে কোন সমাজে শিক্ষা ব্যবস্থার গুনমান নির্ভর করে সেখানকার শিক্ষক শিক্ষিকাদের উপর। শিক্ষক শিক্ষিকারা ছাত্র-ছাত্রিদেরকে শিক্ষার আলোকে আলোকিত করে। দেশের উন্নতি প্রগতি ও সমৃদ্ধির জন্য যোগ্য মানব সম্পদ গড়ে তোলার জন্য গুরুত্ব ভূমিকা পালন করে থাকে শিক্ষক শিক্ষিকারা। অন্যান্য বছরের তুলনায় এই বছরের শিক্ষক দিবস অনেকটা বেশি গুরুত্ব বহন করছে। কারন সমগ্র দেশে করোনা ভাইরাসের প্রকোপ চলছে। এই করোনা ভাইরাস থেকে শিক্ষার্থীদের যেমন রক্ষা করতে হবে, তেমনি তারা যেন শিক্ষা থেকে বঞ্চিত না হয় তাঁর ব্যবস্থাও করতে হবে।
এই ক্ষেত্রে রাজ্য সরকার ও শিক্ষা দপ্তরের সিদ্ধান্তের পাশে দাড়িয়ে রাজ্যের শিক্ষক শিক্ষিকারা যে ভাবে ছাত্র-ছাত্রীদের স্বার্থে ঝাপিয়ে পড়েছেন, তা ধন্যবাদ যোগ্য। গত দুই বছরে শিক্ষা ক্ষেত্রে রাজ্য সরকার অনেক গুলি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। সমাজের পিছিয়ে পড়া সিক্ষারথিদের জন্য রাজ্য সরকার বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বলেও জানান মন্ত্রী রতন লাল নাথ।