স্টাফ রিপোর্টার, তেলিয়ামুড়া, ৩১ আগস্ট।। রাজ্যের সংরক্ষিত বনাঞ্চল ধ্বংস করে বনজ সম্পদ পাচারের ঘটনা দিনের পর দিন বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে পরিবেশের ওপর মারাত্মক ও প্রভাব পড়তে শুরু করেছ।লক ডাউন এর সুযোগকে কাজে লাগিয়ে বনদস্যুরা তাদের তৎপরতা আরো ব্যাপক হারে বৃদ্ধি করেছে।
তেলিয়ামুড়া বনদপ্তর এর রেঞ্জ অফিসার সুপ্রিয় দেবনাথ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মুঙ্গিয়াকামি থানা এলাকার ৪৫ মাইলের জঙ্গলে অফিসার চালিয়ে প্রচুর পরিমাণ কাঠ উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছেন। বনদপ্তর এর রেঞ্জ অফিসার সুপ্রিয়া দেবনাথ এর কাছে সুনির্দিষ্ট খবর ছিল ৪৫ বাইরের জঙ্গলে বনজ সম্পদ ধ্বংস করে বনদস্যুরা কার্ড তৈরি করে বিক্রির জন্য প্রস্তুত হচ্ছে।
সেই খবরের ভিত্তিতে রেঞ্জ অফিসার সুপ্রিয় দেবনাথ অন্যান্য কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে ৪৫ মাইলের জঙ্গলে হানা দেন।সেখানে হানা দিয়ে প্রচুর পরিমাণ মূল্যবান কাঠ উদ্ধার করতে সক্ষম হন রেঞ্জ অফিসার।কাঠ গুলি উদ্ধার করে বনদপ্তরের তেলিয়ামুড়া অফিসে নিয়ে আসা হয়। এ ব্যাপারে থানায় একটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
উদ্ধার করা কাঠের বাজার মূল্য লক্ষাধিক টাকা বলে জানিয়েছেন উদ্ধারকারী দলের অফিসার সুপ্রিয়া দেবনাথ। লক্ষাধিক টাকার কাঠ উদ্ধার করা সম্ভব হলেও এই চক্রের জড়িত কাউকে আটক করা যায়নি।ধারণা করা হচ্ছে বড় দপ্তরের কর্মীদের আসতে দেখে কাঠ পাচার চক্রের জড়িতরা পালিয়ে গেছে।এই চক্রের জড়িতদের আটক করার জন্য তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে বলে মন্তব্য করে চালানো হয়েছে।
উল্লেখ্য ১৮ মুরা পাহাড়ের সংরক্ষিত বনাঞ্চল ধ্বংস করে প্রতিদিন গাছের লগ ও কাঠ অন্যত্র পাচার করা হচ্ছে। এইসব কাঠ বাংলাদেশেও পাচার করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। মাঝেমধ্যে অভিযান চালিয়ে বনদপ্তর এর কর্মীরা সাফল্য পাচ্ছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই বনদপ্তরের কর্মীরাও পাচারকারীদের সম্পর্কে তথ্য পাচ্ছে না। এভাবে রাজ্যের সংরক্ষিত বনাঞ্চল ধ্বংস করে কাঠ পাচারের ফলে বড় সম্পদ দিনের পর দিন ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। তাদের পরিবেশের ওপর মারাত্মক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে।