স্টাফ রিপোর্টার, আমবাসা, ২৮ জুলাই।। রাজ্যে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ দিনের পর দিন বেড়ে চলায় রাজ্য সরকার রাজ্যে সোমবার থেকে তিনদিনের লকডাউন ঘোষণা করে।রাজ্যের সর্বত্র জনগণকে লকডাউন সঠিকভাবে পালন করার জন্য রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এবং প্রশাসনের তরফ থেক জানান আহ্বান জানানো হয়।
রাজ্যের প্রায় সর্বত্রই নিয়ম-কানুন যথাযথভাবে পালন করা হলেও ধলাই জেলার আমবাসার কুলাই বাজারে বাজারে লকডাউন অপেক্ষা করে মঙ্গলবার দ্বিতীয় দিনে সাপ্তাহিক হাট বসে। সাপ্তাহিক হাটে মানুষের উপচেপড়া ভিড় পরিলক্ষিত হয়।পরিস্থিতি এবং এক পর্যায়ে এসে পৌঁছায় অন্যান্য সাপ্তাহিক হাট এর চেয়ে মঙ্গলবার সাপ্তাহিক হাটে মানুষজনের উপস্থিতি ছিল অনেক বেশি।
সরকারি নির্দেশ অনুযায়ী বাজার কমিটির তত্ত্বাবধানে এক তৃতীয়াংশ দোকান খোলা রাখার কথা বলা হলেও কুলাই বাজারে সাপ্তাহিক ১০০ শতাংশ দোকান খোলা ছিল। এই বিপদজনক চিত্র ধরা পড়েছে স্থানীয় সাংবাদিকদের ক্যামেরায়। সাপ্তাহিক হাট এ মানা হয়নি সামাজিক দূরত্ব ।শুধু তাই নয় মুখে মাক্স পড়েননি অনেকেই। এই ঘটনা খুবই উদ্বেগজনক বলে মনে হয় বিভিন্ন মহলের। এ বিষয়ে কোন বাজার কমিটির সম্পাদক মনোজ পাল এর মতামত জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান এক-তৃতীয়াংশ দোকান খোলা রয়েছে। বাজার কমিটির সম্পাদকের এই বক্তব্যের সঙ্গে বাস্তবের কোন মিল পরিলক্ষিত হয়নি।
কুলাই সাপ্তাহিক হটে ব্যাপক জনসমাগম হলেও পুলিশ প্রশাসনের তেমন কোন উপস্থিতি কিংবা কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের নজির পরিলক্ষিত হয়নি।স্বাভাবিকভাবেই বলা যেতে পারে কুলাই সাপ্তাহিক হাটে রাজ্য সরকারের ঘোষিত লকডাউন এর নিয়ম-কানুন কোনোভাবেই মানা হয়নি। এ ধরনের ঘটনা করোনা ভাইরাস সংক্রমণ জনিত পরিস্থিতিতে খুবই বিপদজনক।লক ডাউন এর নিয়ম কানুন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে রাজ্যের অন্যান্য স্থানে এ ধরনের প্রবণতা দেখা দিতে পারে। স্বাভাবিক কারণেই প্রশাসনকে এ বিষয়ে কঠোর মনোভাব গ্রহণ করা জরুরি।
ধলাই জেলার কুলাই বাজারে সাপ্তাহিক হাটে যে উদ্বেগজনক পরিস্থিতি পরিলক্ষিত হয়েছে তার যাতে পুনরাবৃত্তি না ঘটে সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করতে বিভিন্ন সচেতন মহল থেকে জোরালো দাবি উঠেছে।