স্টাফ রিপোর্টার, উদয়পুর, ২৪ জুলাই।। চিকিৎসায় গাফিলতিতে গৃহবধুর মৃত্যু ঘটনায় তেপানিয়ায় গোমতী জেলা হাসপাতালে উত্তেজনা দেখা দেয়। খবরে প্রকাশ শুক্রবার সকাল নাগাদ পায়েল দেবনাথ দাস নামে এক গৃহবধূকে অসুস্থতা নিয়ে পূর্ব গকুলপুর থেকে উদয়পুর মহাকুমা হাসপাতাল নিয়ে আসেন আত্মীয় পরিজনেরা। মহকুমা হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত কর্মীরা বলেন করুনা পরিস্থিতিতে টেপানিয়াস্থিত গোমতী জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য। অভিযোগ জেলা হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসকরা গৃহবধুকে জেলা হাসপাতালের তিন তলার উপর মহিলা ওয়ার্ডে পাঠিয়ে দেন। মহিলা ওয়ার্ডে নেওয়ার পর কর্তব্যরত সেবিকারা সরাসরি জানিয়ে দেন কোভিড-১৯ টেস্ট না হলে রোগীকে স্পর্শ করা যাবে না। সেই মতো পরিবার-পরিজনরা রোগীকে আবার করোনা পরীক্ষার জন্য নিচে নিয়ে আসেন। মুহূর্তের মধ্যেই গৃহবধুর শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। অভিযোগ পরীক্ষা করিয়ে হাসপাতাল ওয়ার্ডে নিয়ে গেলে গৃহবধূকে ব্যবস্থা পত্র লিখে তেমনভাবে পরিষেবা দেননি কর্তব্যরত চিকিৎসকরা। কিছুক্ষন পর গৃহবধূ মৃত্যু কোলে ঢলে পড়েন। মুহূর্তের মধ্যেই গৃহবধূর পরিবার-পরিজনরা জেলা হাসপাতালে হৈচৈ শুরু করন। উত্তেজনা ছড়ায়। জেলা হাসপাতালে উত্তেজনার খবর পেয়ে ছুটে আসেন রাধাকিশোরপুর থানার পুলিশ। পুলিশ এসে পরিস্থিতি শান্ত করেন। মৃত গৃহবধূকে জেলা হাসপাতাল মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়।।ময়না তদন্ত শেষে মৃতদেহ আত্মীয় পরিজনের হাতে তুলে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে পূর্ব গকুলপুর স্থানীয় শ্মশানে সৎকারের ব্যবস্থা করা হয়। যদিও ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসলেই মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে বলে জানান পুলিশ। তরুনী গৃহবধুর মৃত্যুর ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে আসে গোটা এলাকায়। গত বছর বৈশাখ মাসে পূর্ব গকুলপুরের শুঁটকি আড়ৎ-এ দৈনিক হাজিরা কর্মী প্রসেনজিত দাসের সাথে পায়েল দেবনাথের বিয়ে হয়। পায়েলের মৃত্যুতে পূর্ব গকুলপুর এলাকায় ও উদয়পুরে শোকের ছায়া নেমে আসে ।